রাবিতে এন্টিবায়োটিক সচেতনতা সপ্তাহ উপলক্ষে গোল টেবিল বৈঠক - Ekushey Media bangla newspaper

Breaking News

Home Top Ad

এইখানেই আপনার বা প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ: 01915-392400

নিউজের উপরে বিজ্ঞাপন

Sunday, 24 November 2019

রাবিতে এন্টিবায়োটিক সচেতনতা সপ্তাহ উপলক্ষে গোল টেবিল বৈঠক


একুশে মিডিয়া, রাবি প্রতিনিধি:>>>
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) এন্টিবায়োটিক সচেতনতা সপ্তাহ উপলক্ষে গোল টেবিল বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার বিশ^বিদ্যালয়ের ড. এম ওয়াজেদ আলী একাডেমিক ভবনে ফার্মেসী বিভাগের আয়োজনে এ বৈঠকের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহারে সচেতনতা বৃদ্ধিতে করণীয় সম্পর্কে আলোচনা করেন আমন্ত্রিত অতিথিবৃন্দ।
ফার্মেসী বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক আশিক মোসাদ্দিকের সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন ফার্মেসী বিভাগের অধ্যাপক একরামুল ইসলাম, মো. আব্দুল আলীম আল বারী, সহযোগী অধ্যাপক তাহমিতা শারমিন, আজিজুর রহমান, রাজশাহী মেডিকেল কলেজের (রামেক) মাইক্রবায়োলোজি বিভাগের অধ্যাপক ডা. খন্দকার মো. ফয়সল আলম, স্কয়ারের ম্যানেজার কোয়ালিটি অ্যাসিউনেন্স পাবনা ইউনিটের মো. আব্দুর রাজ্জাক, কমিউনিটি মেডিসিন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডা. মো. নুরুল আমিন, মেডিসিন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক জহরুল হক, লেবিড ফার্মা গ্রæপের এরিয়া ম্যানেজার সোহেল রানা প্রমুখ।
এসময় রাজশাহী মেডিকেল কলেজের (রামেক) মাইক্রোবায়োলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. ফয়সল আলম বলেন, অনেক সময় বøাড টেস্ট করাতে অনেক সময় লাগে। এই সময়ের মধ্যে অনেকে এন্টিবায়েটিক ব্যবহার করে। এই দীর্ঘসূত্রিতা কমানো গেলে এন্টিবায়োটিক এর ব্যবহার কমানো সম্ভব। ভাইরাস জ¦র এমনিতে পাঁচ-ছয় দিন পর ভালো হয়ে যায়। আমরা সামান্য এ জ¦রের জন্য এন্টিবায়োটিক ব্যবহারের জন্য পরামর্শ দেই না। কিন্তু তারা যদি চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়াই বাইরে থেকে কিনে ব্যবহার করে তাহলে কিছু করার থাকে না। এক্ষেত্রে ঔষধ কোম্পানিগুলো সচেতন হলে এর ব্যবহার রোধ করা সম্ভব বলে মনে করেন তিনি।
স্কয়ার কোম্পানীর কোয়ালিটি অ্যাসিউরেন্স পাবনা ইউনিটের ম্যানেজার মো. আবদুর রাজ্জাক বলেন, অ্যান্টিবায়োটিকের প্রভাব সম্পর্কে মানুষের মাঝে সচেতনতা বৃদ্ধির মাধ্যমে এর ব্যবহার রোধ করা যেতে পারে। কোনটা এন্টিবায়োটিক তা মানুষকে চেনাতে হবে। এর জন্য অ্যান্টিবায়োটিকের গায়ে রং অথবা কোন বিশেষ ধরণের চিহ্ন দেয়া যেতে পারে। এন্টিবায়োটিক এর ভয়াবহতা বুঝাতে মানুষের মাঝে সচেতনতা বৃদ্ধিতে প্রচার বাড়াতে হবে। ব্যবস্থাপত্র ছাড়া যাতে কোন ফার্মেসী এন্টিবায়োটিক ঔষধ বিক্রি করতে না পারে সে বিষয়ে সচেতন হতে হবে। যারা করবে তাদের লাইসেন্স বাতিল করতে হবে। অনেক সময় রোগী ডোস সম্পূর্ণ হওয়ার আগেই ঔষধ খাওয়া বন্ধ করে দেয়। এতে করে ভাইরাসের জীবানুর শক্তি কয়েকগুন বৃদ্ধি পায়। এক্ষেত্রে অ্যান্টিবায়োটিক ফুল ডোস বিক্রির ব্যবস্থা করতে হবে।
ফার্মেসী বিভাগের অধ্যাপক ড. আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, আমাদের দেশে একটি সফল প্রোগ্রাম হলো টিকাদান কর্মসূচি। সেটা একদিনে সফল হয়নি। সফলতার জন্য ৬ বছর সময় লেগেছে। আমরা যদি এর সফলতার পেছনের কারণগুলো অনুসরণ করতে পারি তাহলে সফল হওয়া সম্ভব। এছাড়া সামাজিক প্রতিষ্ঠান মসজিদ, মাদ্রাসা, স্কুল, কলেজে বিভিন্ন সেমিনারের মাধ্যমে সচেতনতা সৃষ্টি করতে হবে তাহলে এর ব্যবহার কমিয়ে আনা সম্ভব। ব্যবস্থাপত্র ছাড়া এন্টিবায়োটিক বিক্রি হচ্ছে কিনা সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।





একুশে মিডিয়া/এমএসএ

No comments:

Post a comment

নিউজের নীচে। বিজ্ঞাপনের জন্য খালী আছে

Pages