ফটিকছড়ির নতুন এক রুপকার মো.সায়েদুল আরেফিন ইউএনও - Ekushey Media bangla newspaper

Breaking News

Home Top Ad

এইখানেই আপনার বা প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ: 01915-392400

নিউজের উপরে বিজ্ঞাপন

Wednesday, 26 February 2020

ফটিকছড়ির নতুন এক রুপকার মো.সায়েদুল আরেফিন ইউএনও


মোহাম্মদ জিপন উদ্দিন, চট্টগ্রাম:>>>
কথায় আছে "একজন মানুষ সবার প্রিয় হতে পারে না" কিন্তু এ কথাটাকে হয়তো ভিত্তিহীন রুপ দিয়েছেন বর্তমান ফটিকছড়ি উপজেলার নির্বাহী অফিসার(ইউএনও) মোহাম্মদ সায়েদুল আরেফিন।
চট্টগ্রাম শহরের ৩৫ কি.মি উত্তরে অবস্থিত চট্টগ্রামের সর্ববৃহৎ উপজেলা ফটিকছড়ি যার মোট আয়তন ৭৭৩.৫৪ বর্গ কিলোমিটার (১,৯১,১৪৬ একর)।এর নামকরণ, 'ফটিক অর্থ স্বচ্ছ ও ছড়ি অর্থ পাহাড়িয়া নদী, ক্ষুদ্র স্রোতস্বতী, ঝর্ণা বা খাল। উপজেলার পশ্চিমাংশে ফটিকছড়ি খাল নামক একটি স্বচ্ছ ঝর্ণা আছে।
নৈসর্গিক সৌন্দর্য্যে ভরা খালটি সীতাকুণ্ড পাহাড়ী রেঞ্জ থেকে উৎপন্ন হয়ে যোগিনী ঘাটা নামক স্থানে হালদা নদীর সাথে মিলিত হয়েছে। একসময় ফটিকছড়ি উপজেলার অবস্থান ছিল ভূজপুরের দক্ষিণ প্রান্ত দিয়ে
প্রবাহিত এই ফটিকছড়ি খালের তীরে। ফটিকছড়ি খাল হতেই এই থানার নামকরণ হয়।'বাংলাদেশের ১৬৩টি চা বাগানের মধ্যে ১৭টি চা বাগানের অবস্থান ফটিকছড়ি উপজেলায়। 
ফটিকছড়িতে তিনটি রাবার বাগান আছে। এশিয়া মহাদেশের সবচেয়ে বিশাল আয়তনের বাগানটি (দাঁতমারা রাবার বাগান) রয়েছে এ ফটিকছড়িতে। যার আয়তন সাড়ে চার হাজার একর। 
ঐতিহ্যবাহী এ উপজেলাকে ভিন্ন এক মাত্রায় ভিন্ন রুপে রুপদান করেছেন উপজেলার বর্তমান উপজেলা নির্বাহী অফিসার।
মানিকগঞ্জ জেলার দৌলতপুর গ্রামের মোহাম্মদ হাতেম আলীর পুত্র মোহাম্মদ সায়েদুল আরেফিন,তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় হতে ইংরেজি বিভাগে অধ্যাপনা শেষ করেন, উচ্চ শিক্ষা গ্রহণের জন্য গিয়েছেন বিদেশেও।
অল্প কিছুদিনের ব্যবধানে তার সততা,আন্তরিকতা ও ত্যাগের মাধ্যমে পালটে দিয়েছেন ফটিকছড়ির পূর্বের রুপ।


এর আগেও অনেক ইউএনও এসেছেন আর চলেও গেছেন এভাবে হয়তো কেউ মানুষের মনে জায়গা করে নিতে পারেননি। তিনি ফটিকছড়িতে আসার পর বন্ধ করেছেন মাদক, চোরাচালান, সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ, ছিনতাই, ধর্ষণ, ইভটিজিং, শ্লীলতাহানিসহ সব ধরনের অপরাধ। ফটিকছড়িতে বেশিরভাগই বেয়াইনি  ইট ভাটা যা দ্বারা মাটি কেটে যেভাবে দূষিত করা হচ্ছে পরিবেশ ও জলবায়ু,কিন্তু এতসব বেয়াইনি কাজ বন্ধ করতে ব্যাপক অবদান রাখেন তিনি, চালু করেছেন "গণশুনানি" যেখানে সব শ্রেণীর জনবল তাদের সমস্যার কথা জানানোর সুযোগ থাকে,এছাড়াও নির্বাচিত হয়েছেন উপজেলার শ্রেষ্ঠ নির্বাহী অফিসার হিসাবে।প্রভাবশালী হোক বা গরীব তার অফিসে যেতে প্রয়োজন হয়না কোন ধরণের অনুমতি, তিনি নিজেই বলেন, এটা জনগণের অফিস আমি শুধু আপনাদের সেবক, তাছাড়া এখনো পর্যন্ত কোন সংসদ সদস্য সংসদে দাঁড়িয়ে কোন নির্বাহী অফিসারের শুনাম করতে তেমন শুনা যায়নি কিন্তু চট্টগ্রাম-২ আসনের এমপি সৈয়দ নজিবুল বশর মাইজভান্ডারি সংসদে দাঁড়িয়েই তার শুনাম করেন,এত কিছুর পরে দলমত ভিন্নতা থাকতে পারে কিন্তু তার সাথে কারো ভিন্নতা বা আপোষ নাই,সাধারণ মানুষের অকৃত্রিম ভালোবাসা তার জন্য আছে, ফটিকছড়ি বাসী তাকে নিয়ে শতভাগ সন্তুষ্ট এবং সবার একটাই চাওয়া দীর্ঘদিন যেন তিনি স্ব-পদে বহাল থেকে ফটিকছড়ি রুপ পালটে বিশ্বদরবারে তুলে ধরতে পারে।





একুশে মিডিয়া/এমএসএ

No comments:

Post a comment

নিউজের নীচে। বিজ্ঞাপনের জন্য খালী আছে

Pages