বাঁশখালীতে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে কিশোরীকে ধর্ষণ! দুই যুবকের বিরুদ্ধে মামলা - Ekushey Media bangla newspaper

Breaking News

Home Top Ad

এইখানেই আপনার বা প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ: 01915-392400

নিউজের উপরে বিজ্ঞাপন

Tuesday, 14 July 2020

বাঁশখালীতে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে কিশোরীকে ধর্ষণ! দুই যুবকের বিরুদ্ধে মামলা

একুশে মিডিয়া, বাঁশখালী (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি:
চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলার গণ্ডামারা ইউনিয়নের পূর্ব বড়ঘোনা এলাকায় এক কিশোরী ধর্ষণের শিকার হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। ঘটনাটি গত ৩১ মে (রবিবার) ২০২০ ইং রাত আনুমানিক ১০ ঘটিকার সময় ঘটেছে।
ধর্ষিতার পারিবাররিক সূত্রে জানা যায়, গণ্ডামারা ইউনিয়নের পূর্ব বড়ঘোনা ৮ নং ওয়ার্ড  এলাকার মৃত মোশরফ আলী মেয়ে খদিজা বেগম (২০) এর সাথে একই এলাকার মৃত তমিজ উদ্দীনের ছেলে সরওয়ার আলম (২৪) এর গোপনে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে।
মামলার কপি।

এই সুবাদে সহজ মনার মেয়েটিকে গত ৩১ মে(রবিবার)২০২০ ইং-  বিয়ে করার প্রলোভন দিয়ে ঘর থেকে বের করে নিয়ে যায় ধর্ষক সরওয়ার ও তার আরেক বন্ধু মোহাম্মদ উল্লাহ (২৪)।
স্থানীয়‌রা জানায়, মোহাম্মদ উল্লাহ ওই এলাকার মো: ইদ্রিসের পুত্র, সরল মনার ওই মেয়েটি ঘাতক  সরওয়ার আলম এর বিয়ের প্রস্তাবে রাজি হয়ে প্রেমের টানে পরিবারের সবাইকে ত্যাগ করে ঘর থেকে ছুটে যায় তার কাছে।
বিশ্বাস ঘাতক সরওয়ার ও তার অপর বন্ধু মোহাম্মদ উল্লাহ সহ মিলে ওই এলাকার বি এ রশিদের পুকুর পাড়ে নির্জন এলাকায় নিয়ে যায়,সেখানে ধর্ষক সরওয়ার ও মোহাম্মদ উল্লাহ পালাক্রমে জোর পূর্বক মেয়েটিকে ধর্ষণ করেছে বলে আভিযোগ করেন ধর্ষিতা।
একপর্যায়ে ধর্ষিতার আর্তচিৎকারে আশে-পাশের লোকজন আগাইয়া আসার টের পেয়ে দ্রুত গতিতে ঘটনাস্থল থেকে ধর্ষকরা পালিয়ে যায়।
ঘটনাস্থল থেকে স্থানীয়‌রা ধর্ষিতাকে উদ্ধার করে তার ঘরে ঘটনার খবর ফোন জানালে পরিবারের সদস্যরা স্থানীয় ইউপি সদস্য আলী হোছাইনকে বিষয়টি অবহিত করলে ইউপি সদস্য আলী হোসাইন সহ ঘটনার বিষয়টি সরওয়ার আলম এর পরিবারের সদস্যদের অবহিত করেন। সরওয়ারের পরিবারের সদস্যরা প্রাথমিকভাবে সরওয়ার এবং ধর্ষিতার সামাজিক বিবাহ সম্পাদন আবদ্ধ করার প্রতিশ্রুতি দিলেও পরেরদিন সরওয়ার কোথায় পালিয়ে গেছে মর্মে বাহনা মূলক কথা ব‌লে এই ব্যাপারে তারা কিছুই করতে পারবেনা এমনকি তাদের পরিবারের নামে মিথ্যা (বদনাম) করলে তোমাদের সবাইকে মেরে ফেলবো বলে উল্ঠো প্রাণে মারার হুমকি প্রদান করছে বলে পরিবার সদস্যরা। এমন আভিযোগ করেন ধর্ষিতার সৎ ভাই মো: আজিজুর রহমান।
তিনি আরো বলেন, সরওয়ার স্থানীয় প্রভাবশালী পরিবারের সদস্য হওয়ায় তারা সমাজে যে কোন সময় ইচ্ছা মতো যে কোন ধরনের অপকর্ম করে বেড়ায়, এতে কেউ বাঁধা দিতেও সাহস পায়না।তিনি ধর্ষক সরওয়ার ও মোহাম্মদ উল্লাহকে দ্রুত গ্রেফতার পূর্বক দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করার জন্যে প্রশাসনের প্রতি জোর দাবী জানান।
এই ব্যাপারে ধর্ষিতা নিজে বাদী হয়ে বাঁশখালী থানায় ১■ সরওয়ার আলম ২■ মোহাম্মদ উল্লাহকে আসামী করে নারী ও শিশু নির্যাতনের অভিযোগে বিগত ০২ জুন ২০২০ ইংরেজি  মামলা দায়ের করলেও এখনো পর্যন্ত আসামী আটক না হওয়ায় হতাশ ধর্ষিতার পরিবার।
এব্যাপারেে স্থানীয় ইউপি সদস্য আলী হোসাইন বলেন, ধর্ষনের ঘটনার বিষয়টি ফরিদ ভাই আমাকে বলেছেন,আমি শুনার পর সেখানে গিয়েছিলাম, সরওয়ার আলম এর পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে যোগাযোগ করে মীমাংসা করে দেয়ার চেষ্টা করেছি কিন্তু তাদের কাছে তেমন কোন সদিচ্ছা না দেখার ফলে করতে পারিনি।
এব্যাপারে বাঁশখালী থানা ভারপ্রাপ্ত  কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ রেজাউল করিম মজুমদার ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, অপরাধীদের গ্রেফতারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে বলেও জানান তিনি।
 
 
 
 
একুশে মিডিয়া/এমএসএ

No comments:

Post a comment

নিউজের নীচে। বিজ্ঞাপনের জন্য খালী আছে

Pages