২০২০-২০২১ বাজেটে কি কি রয়েছে? - Ekushey Media bangla newspaper

Breaking News

Home Top Ad

এইখানেই আপনার বা প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ: 01915-392400

নিউজের উপরে বিজ্ঞাপন

Thursday, 11 June 2020

২০২০-২০২১ বাজেটে কি কি রয়েছে?

একুশে মিডিয়া, রিপোর্ট:

যে অমানিশার অন্ধকার আমাদের চারপাশকে ঘিরে ধরেছে, তা একদিন কেটে যাবেই। এই বাজেটের হাত ধরেই আমরা অর্থনৈতিক মন্দা কাটিয়ে পূর্বের উন্নয়নের ধারাবাহিকতায় ভবিষ্যতের কাঙ্ক্ষিত অর্থনৈতিক ভিত রচনা করব’-এমন মন্তব্য করে ভয়াবহ মন্দার মধ্যেও প্রবৃদ্ধি ৮ দশমিক ২ শতাংশের স্বপ্ন দেখিয়ে আগামী অর্থবছরের (২০২০-২১) রেকর্ড ঘাটতির বাজেট প্রস্তাব করেছেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল।

বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে এ প্রস্তাব পেশ করেন তিনি। তবে বাস্তবতা বিবর্জিত উচ্চাকাঙ্ক্ষার এই প্রবৃদ্ধির লক্ষ্য অর্জনে আইএমএফের পূর্বাভাস উল্লেখ করে অর্থমন্ত্রী বাজেট বক্তৃতায় বলেছেন, আগামী অর্থবছর বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি হবে ৯ দশমিক ৫ শতাংশ।<:একুশে মিডিয়া:>

যদিও সম্প্রতি বিশ্বব্যাংক বলেছে- আগামী অর্থবছর জিডিপি (মোট দেশজ উৎপাদন) প্রবৃদ্ধি এক শতাংশের বেশি হবে না। এদিকে রেকর্ড ঘাটতি মেটাতে ব্যাংক থেকে মোটা অঙ্কের ঋণ নেয়ার ঘোষণা দিয়েছেন অর্থমন্ত্রী, যা বেসরকারি বিনিয়োগে নেতিবাচক প্রভাব ফেলার আশঙ্কা রয়েছে।<:একুশে মিডিয়া:>


আর কালো টাকা সাদা করার সুযোগের ঘোষণা দেয়া হয়েছে। তবে ব্যক্তিশ্রেণির করমুক্ত আয়সীমা বাড়ানোর ঘোষণা দিয়ে মধ্যবিত্তকে কিছুটা স্বস্তি দেয়ার চেষ্টা করেছেন।
<:একুশে মিডিয়া:>
আগামী অর্থবছর আবগারি শুল্ক বাড়ানোর ঘোষণা দেয়া হয়েছে। এ ক্ষেত্রে ব্যাংক হিসাবে ১০ লাখ টাকার বেশি থাকলে গ্রাহকদের আবগারি শুল্ক গুনতে হবে। আর বাড়বে রূচচর্চাকারীদের ব্যয়।
<:একুশে মিডিয়া:>

বাস্তবতা কঠিন হলেও উচ্চাকাঙ্ক্ষা নিয়ে ‘অর্থনৈতিক উত্তরণ ও ভবিষ্যৎ পথপরিক্রমা’ শিরোনামের আগামী বাজেটের সম্ভাব্য আকার ধরা হয়েছে ৫ লাখ ৬৮ হাজার কোটি টাকা।<:একুশে মিডিয়া:>
এ ব্যয় মেটাতে আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ৩ লাখ ৮২ হাজার ১৬ কোটি টাকা। আয় ও ব্যয়ের ফারাক ঘাটতি থাকবে (অনুদানসহ) ১ লাখ ৮৫ হাজার ৯৮৪ কোটি টাকা।
<:একুশে মিডিয়া:>
আর অনুদান ছাড়া এ ঘাটতির পরিমাণ হবে ১ লাখ ৮৯ হাজার ৯৯৭ কোটি টাকা, যা জিডিপির ৫ দশমিক ৮ শতাংশের সমান। বিগত বছরগুলোর তুলনায় এবারই প্রথম ঘাটতি বাজেটের পরিমাণ জিডিপির ৫ শতাংশ অতিক্রম করেছে।
<:একুশে মিডিয়া:>

বিদ্যমান মন্দা পরিস্থিতি উল্লেখ করতে গিয়ে অর্থমন্ত্রী বাজেট বক্তৃতায় বলেন, করোনাভাইরাস বিশ্বব্যাপী অর্থনীতির হিসাবনিকাশ সম্পূর্ণ ওলটপালট করে দিয়েছে। আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) মতে, ২০২০ সালে বৈশ্বিক অর্থনীতি ৩ শতাংশ কমবে।<:একুশে মিডিয়া:>
দক্ষিণ এশিয়ার প্রবৃদ্ধি ১ দশমিক ৮ শতাংশ থেকে ২ দশমিক ৮ শতাংশ হতে পারে-এমন পূর্বাভাস দিয়েছে বিশ্বব্যাংক। আর বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার হিসাবে বৈশ্বিক পণ্যবাণিজ্য কমবে ১৩-২০ শতাংশ।
<:একুশে মিডিয়া:>
এ সময় কর্মহীন হয়ে পড়বে ১৯ কোটি ৫০ লাখ মানুষ-এমন পূর্বাভাস আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার (আইএলও)। এ ছাড়া আঙ্কটাডের হিসাবে বিনিয়োগ কমবে ৫-১৫ শতাংশ।
<:একুশে মিডিয়া:>

বিশ্বব্যাপী এমন অর্থনৈতিক দুর্যোগের বাইরে বাংলাদেশ নয়। একই ধারায় দেশেও অর্থনৈতিক মন্দা শুরু হয়েছে। মন্দার চিত্র খোদ সরকারের হিসাবে উঠে এসেছে। চলতি অর্থবছর দেশের মোট জিডিপি প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৮ দশমিক ৫ শতাংশ।<:একুশে মিডিয়া:>
করোনাভাইরাসের কারণে সরকার সংশোধন করে নামিয়ে এনেছে ৫ দশমিক ২ শতাংশে। এরই ভিত্তিনির্ভর আগামী অর্থবছর প্রবৃদ্ধি ৮ দশমিক ২ শতাংশ অর্জন অসম্ভব বলে মনে করছেন অর্থনীতিবিদরা।
<:একুশে মিডিয়া:>

প্রস্তাবিত বাজেটে অস্বাভাবিক ব্যয় মেটাতে ব্যাংক থেকে ৮৪ হাজার ৯৮০ কোটি টাকা ঋণ নেয়ার প্রস্তাব করা হয়েছে নতুন বাজেটে। এতে বাধগ্রস্ত হবে বেসরকারি বিনিয়োগ। এ ছাড়া বেশি ঋণ নেয়ার কারণে আগামী অর্থবছর সুদ পরিশোধ বাবদ ব্যয় হবে ৬৩ হাজার ৮০১ কোটি টাকা।<:একুশে মিডিয়া:>

প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসের আঘাতে এ মুহূর্তে দেশের সার্বিক অর্থনীতির প্রায় সব সূচকই নিম্নমুখী। বিভিন্ন দাতা সংস্থা ও দেশীয় গবেষণা প্রতিষ্ঠানের হিসাবে এরই মধ্যে কর্মহীন ও হতদরিদ্র হয়ে পড়েছে কয়েক কোটি মানুষ।<:একুশে মিডিয়া:>
বিপর্যয় নেমে এসেছে শিল্প ও ব্যবসা-বাণিজ্য খাতে। বন্ধ আছে সব ধরনের দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ। স্থবিরতা বিরাজ করছে কৃষি ও পর্যটন খাতে। বিগত এক যুগের মধ্যে সবচেয়ে চাপের মুখে রয়েছে দেশের সামষ্টিক অর্থনীতি।
<:একুশে মিডিয়া:>
এমন প্রতিকূল পরিবেশে যেখানে সরকারের আয় কমার আশঙ্কা সংশ্লিষ্টদের, সেখানে অর্থমন্ত্রী আগামী অর্থবছর রাজস্ব আয়ের বড় লক্ষ্য নির্ধারণ করেছেন ৩ লাখ ৭৮ হাজার কোটি টাকা।
<:একুশে মিডিয়া:>

এই আয় অর্জনে ব্যাংক গ্রাহক ও বিমানযাত্রীদের টার্গেট করেছে সরকার। ব্যাংক অ্যাকাউন্টে ১০ লাখ টাকার বেশি থাকলে আবগারি শুল্ক গুনতে হবে ৩ হাজার টাকা, ১ কোটি থেকে ৫ কোটি টাকা পর্যন্ত ব্যাংকে থাকলে ১৫ হাজার টাকা ও ৫ কোটি টাকার উপরে থাকলে গুনতে হবে ৪০ হাজার টাকা। বিমান টিকিটের ওপর আবগারি শুল্ক বাড়ানোর ঘোষণা দেয়া হয়েছে। এ ছাড়া চার্টার্ড বিমান ও হেলিকপ্টারের ভাড়াও বাড়বে।<:একুশে মিডিয়া:>
এ ক্ষেত্রে সম্পূরক শুল্ক ২৫ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৩০ শতাংশ করা হয়েছে। বাড়বে মোবাইলে খরচও। সিম কার্ডের ওপর শুল্ক বাড়ানো হয়েছে। সব মিলিয়ে ভোক্তাদের ব্যয় বাড়বে।
<:একুশে মিডিয়া:>

আগামী বছর ফার্নিচার ক্রয়েও ব্যয় বাড়বে ক্রেতার। আসবাবপত্র বিপণন কেন্দ্রে মূসক ৫ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৭ শতাংশ করা হয়েছে। শৌখিন লঞ্চযাত্রীর ভাড়া বেশি গুনতে হবে এখন থেকে। কার ও জিপ গাড়ির বিআরটির সার্ভিসে সব ধরনের খরচ বাড়ানোর প্রস্তাব করেছেন অর্থমন্ত্রী।<:একুশে মিডিয়া:>
এ ছাড়া রূপচর্চাকারীদের বেশি টাকা গুনতে হবে আগামী বছর থেকে। বাড়বে সিরামিক ও বেসিন পণ্যের দামও। সব ধরনের সিগারেট, বিড়ি ও জর্দার দাম বাড়বে। আগামী বছর কর-জালের আওতায় আরও ৫ লাখজনকে অন্তর্ভুক্ত করা হবে।
<:একুশে মিডিয়া:>

মধ্যবিত্তদের স্বস্তির খবর হচ্ছে- পুরুষের ক্ষেত্রে করমুক্ত আয়সীমা ৩ লাখ টাকা, নারী ও ৬৫ বছরের বেশি বয়সী করদাতাদের করমুক্ত আয়ের সীমা সাড়ে ৩ লাখ টাকা নির্ধারণের প্রস্তাব করা হয়েছে।<:একুশে মিডিয়া:>

এ ছাড়া সর্বনিম্ন কর ১০ শতাংশ কমিয়ে ৫ শতাংশ এবং সর্বোচ্চ করহার ৩০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ২৫ শতাংশ করার প্রস্তাব করা হয়েছে। আর প্রথমবার অনলাইনে কর দাখিল করলে রেয়াত দেয়া হবে ২ হাজার টাকা।<:একুশে মিডিয়া:>

ব্যাংক, বীমা, লিজিং, আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও মোবাইল কোম্পানি ছাড়া পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত নয়-এমন কোম্পানিগুলোর কর্পোরেট কর আড়াই শতাংশ হ্রাস করা হয়েছে। আগামী অর্থবছর দাম কমবে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের।<:একুশে মিডিয়া:>
উৎসে আয়কর কমানো হয়েছে চাল, আটা, আলু, পেঁয়াজ ও রসুনসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের স্থানীয় পর্যায়ের সরবরাহের ক্ষেত্রে। এ ছাড়া রসুন ও পেঁয়াজ আমদানি অগ্রিম কর হ্রাস করার প্রস্তাব করা হয়েছে।
<:একুশে মিডিয়া:>
তবে পেঁয়াজ আমদানিতে আমদানি শুল্ক আরোপ করা হবে। পোশাকসহ সব ধরনের পণ্য রফতানিমূল্যের ওপর উৎসে কর কমছে। আর সুযোগ থাকছে কালো টাকা বা অপ্রদর্শিত আয়ে কেনা ফ্ল্যাট বা প্লট বৈধ করার সুযোগ। একই সুযোগ দেয়া হয়েছে শেয়ারবাজারে। অপ্রদর্শিত আয়ের অর্থ শেয়ারবাজারে বিনিয়োগে প্রশ্ন করা হবে না। তবে স্থানীয় শিল্পকে সুরক্ষা করতে বেশ কিছু পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে প্রস্তাবিত বাজেটে।
<:একুশে মিডিয়া:>
শিল্পের আমদানিকৃত কাঁচামালের শুল্ক হ্রাস, কৃষি যন্ত্রপাতির দামও কমবে। অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেছেন, বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে মানবসম্পদ উন্নয়নে ২৮ দশমিক ৫ শতাংশ, কৃষি খাতে ২২, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে ১৩, যোগাযোগে ২৫ দশমিক ৪ এবং অন্যান্য খাতে বরাদ্দ দেয়া হয়েছে ১১ দশমিক ১ শতাংশ।
<:একুশে মিডিয়া:>

প্রস্তাবিত বাজেটে সামাজিক অবকাঠামো খাতে ১ লাখ ৫৫ হাজার ৫৩৬ কোটি টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। এটি মোট বরাদ্দের ২৭ দশমিক ৩৮ শতাংশ।<:একুশে মিডিয়া:>

অর্থমন্ত্রী তার বক্তব্যে বলেন, প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসকে সঠিকভাবে মোকাবেলা ও এর অর্থনৈতিক প্রভাব দৃঢতার সঙ্গে কাটিয়ে ওঠার স্বার্থে আমরা গতানুগতিক বাজেট থেকে এবার কিছুটা সরে এসেছি।<:একুশে মিডিয়া:>
যে কারণে এবার বাজেটে অগ্রাধিকারের ক্ষেত্রে অবকাঠামোগত পরিবর্তন আনা হয়েছে। স্বাস্থ্য খাতকে সর্বাপেক্ষা অগ্রাধিকার দেয়া হয়েছে এবং করোনাভাইরাস নিয়ন্ত্রণে এ খাতে অতিরিক্ত বরাদ্দ, প্রণোদনা ও ক্ষতিপূরণ ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।
<:একুশে মিডিয়া:>
কৃষি হচ্ছে দ্বিতীয় অগ্রাধিকার খাত। তৃতীয় অগ্রাধিকার খাত হচ্ছে দীর্ঘ ছুটি ও লকডাউনের কারণে দরিদ্র কর্মজীবী মানুষের কষ্ট লাঘবে সামাজিক নিরাপত্তার আওতা সম্প্রসারণ করা।
<:একুশে মিডিয়া:>
আর সার্বিক অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড আংশিক বন্ধ থাকায় শিল্প উৎপাদন বন্ধ, কর্মহীনতা ও কর্মহীন হয়ে দেশে ফেরা প্রবাসীদের জন্য কর্মসৃজন ও পল্লী উন্নয়ন হচ্ছে চতুর্থ অগ্রাধিকার খাত।
<:একুশে মিডিয়া:>

প্রস্তাবিত বাজেটে শিক্ষা, স্বাস্থ্য এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি খাতে গবেষণা উন্নয়নে ১শ’ কোটি টাকার তহবিল গঠনের ঘোষণা দেয়া হয়েছে।<:একুশে মিডিয়া:>
মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষায় ২৯ হাজার ৬২৪ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছে। কৃষি খাতে ভর্তুকি দেয়া হবে ৯ হাজার ৫শ’ কোটি টাকা। এ ছাড়া কৃষি, মৎস্য ও খাদ্য নিরাপত্তা খাতে ২২ হাজার ৪৮৯ কোটি টাকা বরাদ্দ দেয়া হবে।
<:একুশে মিডিয়া:>

সামাজিক নিরাপত্তার আওতায় ৫ লাখ বয়স্ক, সাড়ে তিন লাখ বিধবা এবং ২ লাখ ৫৫ হাজার প্রতিবন্ধীকে নতুন করে ভাতা দেয়া হবে।<:একুশে মিডিয়া:>
এ ছাড়া গ্রামে বসবাস করা দরিদ্র মানুষের কর্মসংস্থানে ১শ’ কোটি টাকার প্রণোদনা ঘোষণা করা হয়। রফতানির গতি ফিরিয়ে আনতে বিদ্যমান প্রণোদনার সঙ্গে আরও এক শতাংশ অতিরিক্ত রফতানি প্রণোদনা দেয়া হবে।
<:একুশে মিডিয়া:>

জাতীয় সংসদ : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে কালো সুটকেস হাতে বেলা পৌনে ৩টায় বাজেট অধিবেশনে প্রবেশ করেন অর্থমন্ত্রী। তার মুখে ছিল উচ্ছ্বাস।<:একুশে মিডিয়া:>
বেলা সাড়ে তিনটায় জাতীয় সংসদে অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল ২০২০-২১ অর্থবছরের বাজেট প্রস্তাব পেশ করেন। স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে এ অধিবেশন শুরু হয়।
<:একুশে মিডিয়া:>
দেশের ৪৯ বছরের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় বাজেট এটি। ব্যক্তিগতভাবে অর্থমন্ত্রীর এটি দ্বিতীয় বাজেট। এদিকে বাজেট বক্তৃতার আগেই সংসদ ভবনের কেবিনেট কক্ষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
<:একুশে মিডিয়া:>
বৈঠকে প্রস্তাবিত বাজেট অনুমোদন দেয়া হয়। প্রতিবছর বাজেট উত্থাপনের আগে রেওয়াজ অনুযায়ী এই বৈঠকটি সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত হয়। মন্ত্রিপরিষদে অনুমোদন পাওয়ার পর বাজেট বিলে স্বাক্ষর করেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ।
<:একুশে মিডিয়া:>

বাজেট কাঠামো : আগামী বাজেটের আকার হচ্ছে ৫ লাখ ৬৮ হাজার কোটি টাকা। এ ব্যয় মেটাতে আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ৩ লাখ ৮২ হাজার ১৬ কোটি টাকা। আয় ও ব্যয়ের ঘাটতি থাকবে (অনুদানসহ) ১ লাখ ৮৫ হাজার ৯৮৪ কোটি টাকা।<:একুশে মিডিয়া:>
আর অনুদান ছাড়া এ ঘাটতির পরিমাণ হবে ১ লাখ ৮৯ হাজার ৯৯৭ কোটি টাকা, যা জিডিপির ৫ দশমিক ৮ শতাংশের সমান। মোট আয় ৩ লাখ ৮২ হাজার ১৬ কোটি টাকার মধ্যে এনবিআর রাজস্ব ৩ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা, করবহির্ভূত রাজস্ব লক্ষ্য ১৫ হাজার কোটি টাকা। এ ছাড়া কর ব্যতীত প্রাপ্তি হচ্ছে ৩৩ হাজার ৩ কোটি টাকা। বৈদেশিক অনুদান ৪ হাজার ১৩ কোটি টাকা।
<:একুশে মিডিয়া:>

এ বছর সরকারের পরিচালনা ব্যয় ধরা হয়েছে ৩ লাখ ৪৮ হাজার ১৮০ কোটি টাকা। এর মধ্যে আবর্তক ব্যয় ৩ লাখ ১১ হাজার ১৯০ কোটি টাকা। বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে (এডিপি) বরাদ্দ দেয়া হয়েছে ২ লাখ ৫ হাজার ১৪৫ কোটি টাকা।<:একুশে মিডিয়া:>

আগামী বছর ঘাটতি বাজেট পূরণে অধিক মাত্রায় ঋণনির্ভর হচ্ছে সরকার। অভ্যন্তরীণ খাত থেকে ১ লাখ ৯ হাজার ৯৮০ কোটি টাকা ঋণ নেয়ার লক্ষ্য স্থির করেছে।<:একুশে মিডিয়া:>

এর মধ্যে ব্যাংকিং খাত থেকে ঋণ নেবে ৮৪ হাজার ৯৮০ কোটি টাকা, সঞ্চয়পত্র থেকে ২০ হাজার কোটি টাকা ও অন্যান্য ঋণ নেয়া হবে আরও ৫ হাজার কোটি টাকা। পাশাপাশি বৈদেশিক খাত থেকে ঋণ নেয়া হবে ৭৬ হাজার ৪ কোটি টাকা।<:একুশে মিডিয়া:>

বাজেট পরিক্রমা : বৃহস্পতিবার দেশের ইতিহাসে ১২তম ব্যক্তি হিসেবে বাজেট পেশ করবেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল।<:একুশে মিডিয়া:>

এর আগে গত ১২ বার বাজেট দিয়েছেন সাবেক অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। দেশ স্বাধীন হওয়ার পর ১৯৭২-৭৩ অর্থবছর প্রথম বাজেট ঘোষণা করেন তাজউদ্দীন আহমদ। প্রথম বাজেটসহ তিনি মোট তিনবার বাজেট পেশ করেন।<:একুশে মিডিয়া:>

১৯৭৫-৭৬ অর্থবছরের বাজেট পেশ করেন তৎকালীন অর্থমন্ত্রী আজিজুর রহমান মল্লিক। সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান টানা তিনবার বাজেট পেশ করেন। ১৯৭৯-৮০ অর্থবছরে তৎকালীন অর্থমন্ত্রী এমএন হুদা বাজেট পেশ করেন।

অর্থমন্ত্রীর দায়িত্বে থেকে এম সাইফুর রহমান মোট ১২ বার বাজেট ঘোষণা দিয়েছেন। তবে চার অর্থবছর বাজেট দেন অর্থমন্ত্রী এম সায়েদুজ্জামান।<:একুশে মিডিয়া:>





একুশে মিডিয়া/এমএসএ<:একুশে মিডিয়া:>

No comments:

Post a comment

নিউজের নীচে। বিজ্ঞাপনের জন্য খালী আছে

Pages