![]() |
উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি■:
নড়াইলে স্কুল শিক্ষার্থীদের দিয়ে শিক্ষকের জমির ইরি ধানের চারা (স্থানীয় ভাষায় বীজ তলার পাতো) উত্তোলনের অভিযোগ পাওয়া গেছে স্কুলশিক্ষক রতন বিশ্বাসের বিরুদ্ধে। ওই শিক্ষক নড়াইল সদর উপজেলার মুলিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষক। শিক্ষার্থীরা ওই বিদ্যালয়ের নবম ও দশম শ্রেণিতে পড়াশোনা করে।
অভিভাবকদের অভিযোগ, এলাকায় ইরি ধানের চারা তুলতে বেশ টাকা খরচ হয়। ওই টাকা বাঁচাতেই শিক্ষক রতন বিশ্বাস শিক্ষার্থীদের দিয়ে নিজের জমির পাতো তোলাচ্ছেন। কিন্তু তিনি শিক্ষক হওয়ার কারণে পরীক্ষায় ফেল করানোর ভয়ে তার বিরুদ্ধে কেউ কিছু বলতে সাহস পায় না। যে কারণে শিক্ষক রতন বিশ্বাস গত কয়েকদিন যাবত ৯ম ও ১০ম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের দিয়ে পাতো উঠানোর কাজে বাধ্য করাচ্ছেন।
জানা গেছে,মুলিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ৯ম ও ১০ম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের নানা রকম প্রলোভন দেখিয়ে নিজের বীজ তলায় নিয়ে যান পাতো তোলার কাজ করাতে। ক্লাস ফাঁকি দিয়ে সারাদিন শিক্ষার্থীদের দিয়ে এ কাজ করান তিনি। শিক্ষার্থী রনি বিশ্বাস,সুদীপ ও আশিষ বিশ্বাস জানান,‘ আমরা স্বেচ্ছায় স্যারের জমির পাতো তুলেছি। কেউ আমাদের পাতো তুলতে বাধ্য করেননি।’একই প্রসঙ্গে মুলিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক অশোক বিশ্বাস কে বলেন,‘বিষয়টি সম্পর্কে খোঁজ নিব, এটি সত্য হলে স্কুল পরিচালনা কমিটির নিকট উপস্থাপন করা হবে।
এ ব্যাপারে অভিযুক্ত শিক্ষক রতন বিশ্বাস একুশে মিডিয়াকে বলেন,‘আমার জমির ইরি ধানের চারা অন্যত্র বিক্রী করে দিয়েছি। ধানের চারা উত্তোলনের বিষয়টি ছাত্ররাই বলতে পারবে। এ বিষয় আমি কিছুই জানিনা।’
নড়াইল জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো.শাহিদুর রহমান, একুশে মিডিয়াকে জানান,‘শিক্ষার্থীদের দিয়ে নিজের ক্ষেত-খামারের কাজ করানোর বিষয়টি খোঁজ-খবর নেয়া হবে। বিয়টি সত্য প্রমানিত হলে যথাযথ ব্যবস্থা নেয়া হবে।
একুশে মিডিয়া/এমএসএ




No comments:
Post a Comment