![]() |
ফোরকান মাহমুদ, চট্টগ্রামের ফটিতছড়ি থেকে:
ফটিকছড়ির কাঞ্চন নগর ঐতিহ্যবাহী দ্বীনি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান মানিকপুর আহমদিয়া কেরামতিয়া মহিলা দাখিল মাদ্রাসার ২০১৯ সালের দাখিল পরীক্ষার্থীদের সাফল্য কামনায় মাদ্রাসার নিজস্ব অডিটোরিয়ামে (২৮ জানুয়ারী) সোমবার দোয়া মাহফিল ও বিদায় অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। পবিত্র কোরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে অনুষ্ঠান শুরু হয়।
![]() |
অত্র মাদ্রাসার সুপার মাওলানা শফিউল আলমের সভাপতিত্বে প্রধান অথিতি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন, অত্র মাদ্রাসার সভাপতি ৭নং ইউপি সদস্য জনাব আবছার উদ্দিন, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মেধা বিকাশ কিন্ডারগার্ডেন স্কুল প্রধান শিক্ষক জনাব সরফ উদ্দিন, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আলহাজ্ব শাহ আলম সাওদাগার কাঞ্চন নগর শেখ রাসেল স্মৃতি সংসদের সভাপতি কাজি আজম, দৈনিক আলোকিত সকাল ফটিকছড়ি প্রতিনিধি ফোরকান মাহমুদ, কাঞ্চন নগর সংবাদের সিনিয়র এডমিন রশিদুল ইসলাম রানা, মাদ্রাসা পরিচালনা কমিটির সদস্য হাসানুল করিম, জনাব তারেকুল ইসলাম প্রমূখ।
অত্র মাদ্রাসার ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি জনাব আবছার উদ্দীন
শিক্ষার্থীদের ভালো ফলাফলের লক্ষ্যে বিভিন্ন পরামর্শ দিয়ে বক্তব্য রাখেন।
বিদায়ী ছাত্র-ছাত্রীদের উদ্দেশ্য আগত মেহেমানবৃন্দ তাদের বক্তব্যে বলেন, ‘পিতা-মাতা ও শিক্ষক-শিক্ষিকার স্বপ্ন পূরণ করতে হলে, প্রতিষ্ঠানের সুনাম ও সম্মানকে অক্ষুর্ণ রাখতে হলে, এমনকি, নিজের জীবনকে যথাযোগ্য মর্যাদায় প্রতিষ্ঠিত করতে হলে বোর্ড পরীক্ষায় সফলতার বিকল্প নেই। তোমরা চাইলে সাফল্যের পথ বেয়ে অনেক দূর এগিয়ে যেতে পারো।’ পরীক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে সভাপতির বক্তব্যে মাদ্রাসার সুপার মহোদয় বলেন, ‘‘বিদায় প্রত্যেকটা মানুষের জন্য বেদনাদায়ক।
তোমাদের আজকের এ বিদায় দুঃখের হলেও পরম আনন্দের, কেননা, আজকের বিদায়ের মাধ্যমে তোমরা একটা বুহত্তর জগতে পদার্পণ করতে যাচ্ছ। তোমরা অত্র প্রতিষ্ঠানের শিক্ষা কার্যক্রম শেষ করলেও আমাদের সহযোগিতা ও দোয়া সব সময় তোমাদের সাথে থাকবে।
মনে রাখবে, শুধু সার্টিফিকেট অর্জনের জন্য শিক্ষা বাস্তব জীবনে কোন প্রভাব ফেলতে পারে না। একমাত্র প্রকৃত শিক্ষাই পারে সমাজ, দেশ ও জাতির মান উন্নত করতে। তিনি আশা করেন, অন্যান্য বারের চেয়ে এবার শিক্ষার্থীরা আরো ভালো ফলাফল অর্জন করবে, কারণ, এবারে বিগত সময়ের বিভিন্ন ঘাটতি পূরণ করে পরীক্ষার্থীদেরকে আরো ভালোভাবে গড়ে তোলা হয়েছে। সভায় পরীক্ষার্থীদের মঙ্গল কামনা করে দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন।
একুশে মিডিয়া/এমএ





No comments:
Post a Comment