বাঁশখালীতে সন্ত্রাসীদের ছুরিকাঘাতে ট্রান্সপোর্ট ব্যবসায়ী খুন, আহত ৭ ! ১৫ লাখ টাকা লুটপাট - Ekushey Media bangla newspaper

Breaking News

Home Top Ad

এইখানেই আপনার বা প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ: 01915-392400

নিউজের উপরে বিজ্ঞাপন

Tuesday, 12 May 2020

বাঁশখালীতে সন্ত্রাসীদের ছুরিকাঘাতে ট্রান্সপোর্ট ব্যবসায়ী খুন, আহত ৭ ! ১৫ লাখ টাকা লুটপাট

একুশে মিডিয়া, বিশেষ প্রতিবেদক:

চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলার সাধনপুর ও কালীপুর ইউনিয়নের সীমান্তবর্তী ভাসাইন্যার দোকান এলাকায় মোঃ জহিরুল ইসলাম (৪০) নামে এক ট্রান্সপোর্ট ব্যবসায়ীকে ছুরিকাঘাতে খুন করেছে সন্ত্রাসীরা।
আজ মঙ্গলবার (১২ মে) সকাল ৭ টার দিকে এ ঘটনাটি ঘটে। এ সময় সন্ত্রাসীদের হামলায় আহত হয়েছে অন্তত ৭ জন। তাদের মধ্যে আশংকাজনক অবস্থায় ৩ জনকে চমেক হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে। অপরাপর আহতরা স্থানীয় ভাবে চিকিৎসা গ্রহণ করছে।
পুলিশ ঘটনাস্থল হতে মো. মুবিন নামে একজনকে আটক করেছে এবং নিহতের লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য চমেক হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করেছেন। এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত এ ঘটনায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার সাধনপুর ও কালীপুর ইউনিয়নের সীমান্তবর্তী ভাসাইন্যার দোকান এলাকায় জামাত শিবিরের একটি দলবদ্ধ সিন্ডিকেট এলাকার সাধারণ মানুষকে জিম্মি করে বিভিন্ন ভাবে চাঁদা আদায় করে আসছে।
তাদের কথা অমান্য করলে এলাকার নিরীহ লোকজনদের ওপর ব্যবিচারে জুলুম নির্যাতন চালাতো ওই সিন্ডিকেটের সদস্যরা। তাদের এই কর্মকাণ্ডের প্রতিবাদ করায় গত সোমবার রাতে ও মঙ্গলবার সকালে স্থানীয় মৃত আলী মিয়া ও মরিয়ম খাতুনের পুত্র মো. জহিরুল ইসলাম বসতঘরে দা, কিরিচ ও লোহার রড নিয়ে দফায় দফায় সন্ত্রাসী হামলা চালায় ওই সিন্ডিকেটের সদস্যরা।
এ সময় সন্ত্রাসীরা মোঃ জহিরুল ইসলাম ও তার পরিবারের সদস্যদের কিরিচ দিয়ে এলোপাথাড়ি কুপিয়ে জখম করে ও তার বসতঘর ভাংচুর করে।
এছাড়াও সন্ত্রাসীরামোঃ জহিরুল ইসলামের ট্রান্সপোর্ট ব্যবসার ১৫ লাখ টাকা লুটপাট করে নিয়ে যায় বলে জানান তার স্ত্রী নুর আয়েশা বেগম। সন্ত্রাসীদের এলোপাথাড়ি কিরিচের আঘাতে মো. জহিরের অবস্থা আশংকাজনক হলে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায়।
তার অবস্থার অবনতি হওয়ায় কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করে।
এ্যাম্বুলেন্স যোগে চমেক হাসপাতালে নেয়ার পথে ভাসাইন্যার দোকান এলাকায় পৌছামাত্র সন্ত্রাসীরা এ্যাম্বুলেন্স আটকিয়ে তাকে পুনরায় ছুরিকাঘাত করলে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু ঘটে।
নিহত মোঃ জহিরুল ইসলামের ভাই সন্ত্রাসীদের কিরিচের কোপে গুরুতর আঘাতপ্রাপ্ত মো. জামাল উদ্দিন বলেন, ‘স্থানীয় নেজাম, আবদুল হক, মহিউদ্দিন, ইলিয়াছ, কামাল উদ্দিন, মনির আহামদ ও এয়াছিনের নেতৃত্বে জামাত-শিবিরের সংঘবদ্ধ সন্ত্রাসীরা
এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে সাধারণ মানুষকে জিম্মি করে বিভিন্ন ভাবে জায়গা-জমি হাতিয়ে নেয়। এর প্রতিবাদ করায় তারা আমাদের বসতঘরে এসে দা, কিরিচ নিয়ে আমাদের ওপর হামলা চালায়।
সন্ত্রাসীরা আমার ভাইকে কিরিচ দিয়ে নির্মম ভাবে হত্যা করেছে এবং আমাদের ওপর অমানসিক নির্যাতন চালিয়েছে।’ 
এ ব্যাপারে বাঁশখালী থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. রেজাউল করিম মজুমদার একুশে মিডিয়াকে বলেন, ‘সাধনপুর ও কালীপুর সীমান্তবর্তী এলাকায় হামলার ঘটনায় একজন নিহত হয়েছে। ঘটনাস্থলে গিয়ে স্থানীয়দের সীকারোক্তি মোতাবেক মবিন নামে একজনকে আটক করা হয়েছে। ঘটনাটি তদন্ত পূর্বক অন্যান্য হামলাকারীদেরও চিহ্নিত করে অচিরেই আইনের আওতায় নিয়ে আসা হবে।।





একুশে মিডিয়া/এমএসএ

No comments:

Post a comment

নিউজের নীচে। বিজ্ঞাপনের জন্য খালী আছে

Pages