![]() |
একুশে মিডিয়া ডেস্ক:
আর্জেন্টিনার একরকম পাগল ভক্ত ছিলেন ৪০ বছর বয়সী তৌহিদ-ই-মোর্শেদ সুমন। তিনি ফুটবল খেলা দেখতে খুবই ভালোবাসতেন। বিশেষ করে মেসির পাগল ভক্ত সুমন। ফুটবলের বিভিন্ন টুর্নামেন্টের ম্যাচগুলো মনোযোগ দিয়ে দেখতেন। আর বিশ্বকাপ এলে তো কথাই নেই। তার বাসাতেই যেন শুরু হতো ফুটবল উৎসব। শুধু তিনিই নন, তার পরিবারের সব সদস্যই একই দলের সমর্থক। আর্জেন্টিনার এই পাগল প্রেমিক ভক্ত বিশ্বকাপ উপলক্ষে ১৫ জুন বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে সুমন তাদের নির্মাণাধীন বাড়ির তৃতীয়তলার ছাদের রডে আর্জেন্টিনার পতাকা টাঙাতে যান। এ সময় রডটি বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইনে লেগে বিদ্যুতায়িত হয়ে পড়ে। তখন তিনি রডটি ছেড়ে দিলেও তার পায়ের সঙ্গে রডের স্পর্শ লাগে। এতে বিদ্যুৎস্পর্শে গুরুতর দগ্ধ হন সুমন। দ্রুত তাকে নেওয়া হয় ঢামেক হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে। তাকে বাঁচানোর তাগিদে ভর্তির পরই দুই পা কেটে ফেলেন চিকিৎসকেরা। কিন্তু তারপরও বাঁচানো গেল না সুমনকে। শুক্রবার (৬ জুলাই) বেলা ৩টার দিকে হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে টানা ২১ দিন মৃত্যুর সঙ্গে যুদ্ধ করে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি। সুমন কিশোরঞ্জের তাড়াইল উপজেলার মৃত আবুল কাশেম ভূঁইয়ার ছেলে। তিনি মিরপুর-১৩ নম্বরে সপরিবারে থাকতেন। আর সেখানেই এ দুর্ঘটনার শিকার হয়েছিলেন। ঢামেক বার্ন ইউনিটের সমন্বয়ক ডা. সামন্তলাল সেন জানান, সুমনের শরীরের ৩৫ শতাংশ পুড়ে গিয়েছিল। দগ্ধ হওয়ার কয়েকদিন পর তার দুই পা কেটে ফেলতে হয়। তবু শেষ পর্যন্ত তাকে বাঁচানো যায়নি। ঢামেক হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ উপ- পরিদর্শক (এসআই) বাচ্চু মিয়া জানান, ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ মর্গে রাখা হয়েছে। একুশে মিডিয়া।
আর্জেন্টিনার একরকম পাগল ভক্ত ছিলেন ৪০ বছর বয়সী তৌহিদ-ই-মোর্শেদ সুমন। তিনি ফুটবল খেলা দেখতে খুবই ভালোবাসতেন। বিশেষ করে মেসির পাগল ভক্ত সুমন। ফুটবলের বিভিন্ন টুর্নামেন্টের ম্যাচগুলো মনোযোগ দিয়ে দেখতেন। আর বিশ্বকাপ এলে তো কথাই নেই। তার বাসাতেই যেন শুরু হতো ফুটবল উৎসব। শুধু তিনিই নন, তার পরিবারের সব সদস্যই একই দলের সমর্থক। আর্জেন্টিনার এই পাগল প্রেমিক ভক্ত বিশ্বকাপ উপলক্ষে ১৫ জুন বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে সুমন তাদের নির্মাণাধীন বাড়ির তৃতীয়তলার ছাদের রডে আর্জেন্টিনার পতাকা টাঙাতে যান। এ সময় রডটি বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইনে লেগে বিদ্যুতায়িত হয়ে পড়ে। তখন তিনি রডটি ছেড়ে দিলেও তার পায়ের সঙ্গে রডের স্পর্শ লাগে। এতে বিদ্যুৎস্পর্শে গুরুতর দগ্ধ হন সুমন। দ্রুত তাকে নেওয়া হয় ঢামেক হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে। তাকে বাঁচানোর তাগিদে ভর্তির পরই দুই পা কেটে ফেলেন চিকিৎসকেরা। কিন্তু তারপরও বাঁচানো গেল না সুমনকে। শুক্রবার (৬ জুলাই) বেলা ৩টার দিকে হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে টানা ২১ দিন মৃত্যুর সঙ্গে যুদ্ধ করে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি। সুমন কিশোরঞ্জের তাড়াইল উপজেলার মৃত আবুল কাশেম ভূঁইয়ার ছেলে। তিনি মিরপুর-১৩ নম্বরে সপরিবারে থাকতেন। আর সেখানেই এ দুর্ঘটনার শিকার হয়েছিলেন। ঢামেক বার্ন ইউনিটের সমন্বয়ক ডা. সামন্তলাল সেন জানান, সুমনের শরীরের ৩৫ শতাংশ পুড়ে গিয়েছিল। দগ্ধ হওয়ার কয়েকদিন পর তার দুই পা কেটে ফেলতে হয়। তবু শেষ পর্যন্ত তাকে বাঁচানো যায়নি। ঢামেক হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ উপ- পরিদর্শক (এসআই) বাচ্চু মিয়া জানান, ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ মর্গে রাখা হয়েছে। একুশে মিডিয়া।




No comments:
Post a Comment