![]() |
একুশে মিডিয়া, গোলাম রাব্বী, জয়পুরহাট প্রতিনিধি:
আর মাত্র কয়েক দিন বাঁকী তার পর শুরু হবে হিন্দু সম্প্রদায়ের শারদীয় দুর্গাপূজার উৎসব।
সারা দেশের ন্যায় এবার জয়পুরহাট জেলায় মোট ২৯০টি মন্দিরে দূর্গা পূজা অনুষ্টিত হবে।
এর মধ্যে জয়পুরহাট সদর উপজেলাতে ১১১টি, পাঁচবিবি উপজেলাতে ৭০টি, আক্কেলপুর উপজেলাতে ৩৬ টি, কালাই উপজেলাতে ৩০টি ও ক্ষেতলাল উপজেলাতে ৪৩টি মন্দিরে সার্বজনীন মন্ডপে দুর্গা পূজা অনুষ্ঠিত হবে।
আর তাই প্রতিমা তৈরির কাজ চলছে জোর গতিতে।
প্রতিমা তৈরির কাজে ব্যস্ত সময় পার করছেন শিল্পীরা। নিখুত হাতের কারুকার্য দিয়ে সকাল থেকে সন্ধা পর্যন্ত তৈরি করছেন প্রতিমা। পূর্জার দিন যতই ঘনিয়ে আসছে ততই যেন ব্যস্ত সময় পার করতে হচ্ছে প্রতিমা তৈরির শিল্পীদেরকে।
প্রতিমা তৈরির শিল্পীরা বলছেন ১ মাস ধরে তারা প্রতিমা তৈরির কাজ করছেন আর কয়েক দিনের মধ্যেই কাজ সম্পন শেষ হবে। এখন চলছে রং তুলির কাজ। অন্যদিকে প্রতিমা তৈরির পাশা পাশি প্রতিটি মন্ডপে চলছে গেট আর প্যান্ডেলের কাজ।
সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় উৎসব শারদীয় দূর্গাপূজা আগামী ১৪ই অক্টোবর মহাপঞ্চমী দেবীর বোধনের মধ্য দিয়ে শুরু হবে। পরের দিন মহাষষ্ঠী পূজার মধ্য দিয়ে শুরু হবে পূজার মূল আনুষ্ঠানিকতা। এবার দেবীর আগমন দোলা তে প্রস্থান হবে ঘটকে।ধূপ, কাশা, ঘণ্টা আর ঢাকের তালে তালে শুরু হবে শারদীয় উৎসব। তাই শেষ সময়ে চলছে মা দেবী দূর্গার প্রতিমা তৈরির কাজ। সুন্দর থেকে সুন্দরতর প্রতিমা তৈরি করতে দিন-রাত ব্যস্ত সময় পার করছেন সনাতন সম্প্রদায়ের পালেরা।
সরেজমিনে জয়পুরহাট সদরের আদীবাসী মধ্যাপাড়া পূজা মন্ডপে গিয়ে দেখা গেছে নিপেন দনাথ পাল নামে এক শিল্পী প্রতিমা তৈরীতে ব্যস্ত সময় পার করছেন। সকল মন্ডপে প্রতিমা শিল্পিরা সকাল থেকে কাজ শুরু করে গভীর রাত পর্যন্ত কাজ করেন। তাই পর্যাক্রমে দায়িত্ব পালন করে থাকেন তারা। প্রায় এক মাস আগে থেকেই প্রতিমা তৈরীর কাজ শুরু করা হয়েছে। এখন কোন কোন মন্ডপে চলছে প্রতিমা তৈরির শেষ পর্যায়ের হাত, মাথা ও ফিনিশিং এর কাজ। তাছাড়া কিছু মন্ডপে বাঁশ, খড়, কাঠের ওপর মাটি দেয়ার কাজও এগিয়ে চলছে। সেই সঙ্গে কিছু কিছু মন্ডপে চলছে প্রতিমা গুলোতে রংয়ের কাজও।
কয়েকজন পালের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, এবার প্রতি সেট প্রতিমা তৈরিতে চল্লিশ হাজার থেকে এক লাখ টাকা পর্যন্ত পারিশ্রমিক নিচ্ছেন তারা। তবে ৫০ থেকে ৬০ হাজার টাকার মধ্যে তৈরি প্রতিমার চাহিদা বেশি বলে কারিগররা জানান। তারা বলেন, সিনিয়র পালেরা আকৃতি নির্ধারণ করে দেন। সহযোগী পালেরা পরে সম্পূর্ণ আকৃতি গড়েন। তবে চূড়ান্ত আকৃতি গড়েন সবচেয়ে অভিজ্ঞ সিনিয়র পাল। মূলত তার হাতেই দেবী মূল আকৃতি লাভ করে।
জয়পুরহাট পূজা উদযাপন পরিষদের সাধাৱনসম্পাদক প্রভাষক সুমন কুমাৱ সাহা বলেন এবার দূর্গা পূজায় জয়পুরহাট জেলায় ২৯০টি মন্দিরে দূর্গা পূজা অনুষ্ঠিত হবে ।
৩/৪ দিনেৱ মধ্যে সকল মন্ডপে দুর্গা প্রতিমা তৈরির কাজ সম্পন শেষ হবে ৷
তিনি আরও বলেন, সম্প্রতি দূর্গাপূজা সুষ্ট সুন্দরভাবে অনুষ্ঠিত হওয়ার লক্ষে একটি মতবিনিময় সভা হয়েছে জেলা প্রশাসকের অায়োজনে এ সভায় প্রতিটি পূজা মন্ডপের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। সফলভাবে পূজা অনুষ্ঠিত হওয়ার লক্ষে রাজশাহী বিভাগেৱ ডি আইজি সাথে আইন শৃঙ্খলা মিটিং হয় ৮টি জেলার এসপি ও ৮টি জেলার পুজা উৎযাপন পরিষদ এর সভাপতি ও সাধারন সম্পাদক দের সাথে তাছাড়া প্রতিটি পূজা মন্ডপে নিরাপত্তা কর্মী হিসেবে আনসার ভিডিপি সদস্যরা ও পুলিশের সদস্যরা নিয়োজিত থাকবেন বলে জানিয়েছেন তিনি। একুশে মিডিয়া।





No comments:
Post a Comment