![]() |
একুশে মিডিয়া, ঢাকা রিপোর্ট:
- সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের জন্য এবার ১০ দফা দাবি দিলেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির ও চরমোনাইয়ের পীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করিম। তিনি সংসদ ভেঙে দিয়ে নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দাবি করেছেন।
- শুক্রবার (৫ অক্টোবর) বিকেলে রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ইসলামী আন্দোলনের এক মহাসমাবেশে সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করিম এ দাবি জানান। তিনি বলেন, ৫ জানুয়ারির নির্বাচনে জনগণ ভোট দিতে যায়নি। বর্তমান সংসদের কোনো নৈতিক বৈধতা নেই। এই অবৈধ সংসদ বহাল রেখে কোনো নির্বাচন দেশবাসী মেনে নেবে না।
- ‘দুর্নীতি, দুঃশাসন, সন্ত্রাস ও কল্যাণ রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের দাবিতে’ এই সমাবেশ হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করিম।
- মহাসমাবেশ এ ১০ দফা দাবি তুলে ধরেন ইসলামী আন্দোলনের আমির ও চরমোনাই পীর মুফতী সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীম।
- ইসলামী আন্দোলনের ১০ দফা দাবি:
- ১. নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার আগে জাতীয় সংসদ ভেঙে দিতে হবে।
- ২. সব নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলের মতামত নিয়ে নির্বাচনকালীন নিরপেক্ষ সরকার গঠন করতে হবে।
- ৩. বর্তমান নির্বাচন কমিশন বাতিল করে নতুন নির্বাচন কমিশন গঠন করতে হবে।
- 8. তফসিল ঘোষণার পর থেকে নির্বাচিত সরকার ক্ষমতা গ্রহণের আগ পর্যন্ত সশস্ত্র বাহিনী মোতায়েন করতে হবে এবং নির্বাচনের দিন সশস্ত্র বাহিনীর হাতে বিচারিক ক্ষমতা দিতে হবে।
- ৫. নির্বাচনে সব দলের জন্যে সমান সুযোগ তৈরি করতে হবে। রেডিও, টিভিসহ সব সরকারি-বেসরকারি গণমাধ্যমে সবাইকে সমান সুযোগ দিতে হবে এবং রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে সব ধরনের হয়রানি বন্ধ করতে হবে।
- ৬. দুর্নীতিবাজদের নির্বাচনে অযোগ্য ঘোষণা করতে হবে।
- ৭. নির্বাচনে ইভিএম ব্যবহার বন্ধ রাখতে হবে।
- ৮. রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা, জাতীয় সংহতি ও কার্যকর সংসদ প্রতিষ্ঠায় জাতীয় নির্বাচনে সংখ্যানুপাতিক প্রতিনিধিত্ব পদ্ধতির নির্বাচন ব্যবস্থা প্রবর্তন করতে হবে।
- ৯. কোটা সংস্কার অন্দোলন এবং নিরাপদ সড়ক আন্দোলনে গ্রেফতার ছাত্রদের মুক্তি এবং তাদের বিরুদ্ধে দায়ের করা সব মামলা প্রত্যাহার করতে হবে।
- ১০. গণমাধ্যম নিয়ন্ত্রণের উদ্দেশ্যে প্রণীত বিতর্কিত ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বাতিল করতে হবে।
- এ সব দাবি আদয়ের লক্ষ্যে ১২ অক্টোবর ঢাকায় বিক্ষোভ মিছিল, ১৪ অক্টোবর সব জেলায় বিক্ষোভ, ১৬ অক্টোবর রাষ্ট্রপতির কাছে স্মারকলিপি প্রদানের কর্মসূচির ঘোষণা করা হয়।
- জুমার নামাজ শেষে আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয় জনসভা। মহাসমাবেশ ঘিরে আগে থেকেই উদ্যানে সমবেত হয় নেতাকর্মীরা।
- ইসলামী আন্দোলনের কেন্দ্রীয় নেতা মাওলানা দেলাওয়ার হোসাইন সাকীর সঞ্চালনায় সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন দলের নায়েবে আমির মুফতি সৈয়দ ফয়জুল করীম, সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য সৈয়দ মুসাদ্দেক বিল্লাহ আল মাদানী, নূরুল হুদা ফয়েজী, মহাসচিব ইউনুস আহমদ, সহকারী মহাসচিব এটিএম হেমায়েদ উদ্দীন, গাজী আতাউর রহমান, আবদুল কাদের, মাহবুবুর রহমান, প্রচার সম্পাদক মাওলানা আহমদ আবদুল কাইয়ুম, ঢাকা দক্ষিণ মহানগর সভাপতি ইমতিয়াজ আলম, ঢাকা উত্তর সভাপতি শেখ ফজলে বারী মাসউদ। একুশে মিডিয়া।





No comments:
Post a Comment