পুলিশের মানবতায় মানসিক ভারসাম্যহীন ভিখারী মা ও নবজাতকের প্রান রক্ষা পেল।। একুশে মিডিয়া - একুশে মিডিয়া একটি স্বাধীন, নিরপেক্ষ ও বস্তুনিষ্ঠ গণমাধ্যম হিসেবে সংবাদ পরিবেশনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা

ক্লিক করুন

Breaking News

Home Top Ad

নিউজের উপরে বিজ্ঞাপন

Wednesday, 9 January 2019

পুলিশের মানবতায় মানসিক ভারসাম্যহীন ভিখারী মা ও নবজাতকের প্রান রক্ষা পেল।। একুশে মিডিয়া


একুশে মিডিয়া, রিপোর্ট:
মানবিক এক পুলিশ কর্মকর্তার কল্যাণে প্রাণে বেঁচে গেলেন ‘মানসিক ভারসাম্যহীন’ এক নারী ও তার নবজাতক শিশুটি। প্রচণ্ড শীতের রাতে গৃহহীন  এই নারী নালার পাশে রাস্তার ফুটপাতে সন্তান প্রসব করেন। মায়ের নাড়িতে আবদ্ধ হয়ে থাকা সদ্যোজাত শিশুটি কাঁদছিল।শারিরিকভাবে দুর্বল হওয়ায় ক্ষীণ কণ্ঠ পথচারীদের কাছে বাঁচানোর আকুতি জানায় মা হওয়া নারী।
পথচারীদের থেকে খরব পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে যায় পুলিশ। নতুন কাপড় এনে তাতে মুড়িয়ে শিশুটিকে দেন একটু গরমের ছোঁয়া। শিশুটিকে কোলে তুলে নেন এসআই মাসুদুর রহমান। গুরুতর অসুস্থ মা-সন্তানকে দ্রুত গাড়িতে তুলে আগ্রাবাদ মা ও শিশু হাসপাতালে নিয়ে যান এসআই। পুলিশের মানবিকতায় প্রাণে বেঁচে গেলো নবজাতক ও প্রসুতি।
সোমবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে চট্টগ্রাম নগরীর আগ্রাবাদ বাণিজ্যিক এলাকার জাতি-তাত্ত্বিক জাদুঘরের পাশে প্রামীণফোন সেন্টারের সামনের সড়কের ফুটপাত থেকে তাদের উদ্ধার করা হয়।মা ও নবজাতককে বাঁচানো এসআই মাসুদুর রহমান নগরীর ডবলমুরিং থানার দেওয়ানহাট পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ হিসেবে কর্মরত রয়েছেন।
মা ও নবজাতককে উদ্ধার প্রসঙ্গে এসআই মাসুদুর রহমান বলেন,জাতিয়-তাত্ত্বিক জাদুঘরের পাশে নালায় সন্তান জন্ম দেওয়ার পর শিশু ও মা দুজনেই বাঁচার জন্য আকুতি জানাচ্ছিল। টহল পুলিশ ও পথচারীরা এ দৃশ্য দেখার পর পুলিশকে খবর দেয়। এ খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাদের আগ্রাবাদ মা ও শিশু হাসপাতালে নিয়ে যাই। ডাক্তাররা বলেছেন, হাসপাতালে নিতে যদি আধাঘণ্টা দেরি হত তাহলে নবজাতক কন্যাটির প্রাণ বাঁচানো যেত না। কারণটি নবজাতক তার মায়ের মল খেয়ে ফেলেছিল। চিকিৎসকেরা দ্রুত তা ওয়াশ করে প্রাণ রক্ষা করেছেন। মায়ের অবস্থাও সংকটাপন্ন ছিল। তাকেও বাঁচানো গেছে।
এসআই মাসুদুর রহমান জানান, ঘটনাস্থলে গিয়ে নিজের চোখে যখন দেখলাম ফুটপাতে মা এবং নবজাতক পড়ে রয়েছেন। ঠান্ডায় শিশুটি খুব কান্না করছিল। পাশের দোকান থেকে তোয়াল কিনে শিশুটিতে তাতে মুড়িয়ে গরমের পরশ দেওয়া হয়। তাদের অবস্থা খুবই খারাপ হওয়ায় দ্রুত গাড়িতে করে মা ও শিশু হাসপাতালে নিয়ে যাই। তাদের প্রাণটা রক্ষা করতে পেরেছি, এটাই ভালো লাগার বিষয়।পুলিশ জানায়, ভবঘুরে প্রসুতি মহিলাটি আগ্রাবাদ বাণিজ্যিক এলাকায় ভিখারী হিসেবে ঘুরেফিরে ফুটপাতেই থাকতেন। সে মানসিক ভারসাম্যহীন ছিল।
স্থানীয়রা কেউ তার নাম ও ঠিকানা জানাতে পারেনি। বর্তমানে মা ও শিশু উভয়ে আগ্রাবাদ মা ও শিশু হাসপাতালে রয়েছে।



একুশে মিডিয়া/এমএ

No comments:

Post a Comment

নিউজের নীচে। বিজ্ঞাপনের জন্য খালী আছে

Pages