একুশে মিডিয়া, নিজস্ব প্রতিবেদক:
বাঁশখালী উপজেলার সরল ইউনিয়নের তাজুর ঘোনা এলাকায় লবণ মাঠ ও মাছের ঘের দখলকে কেন্দ্র করে সংঘটিত বহুল আলোচিত জিল্লুর রহমান হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত এক আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব-৭, চট্টগ্রাম।
র্যাব-৭ সূত্রে জানা যায়, গ্রেপ্তার হওয়া আসামির নাম মুন্সি আলম (৪৫)। তিনি উপজেলার সরল গ্রামের মৃত রুহল আমিনের ছেলে। মামলায় তিনি ২ নম্বর এজাহারভুক্ত আসামি।
র্যাব জানায়, নিহত জিল্লুর রহমান সরল ইউনিয়নের বাসিন্দা এবং কয়েক মাস ধরে তাজুর ঘোনা লবণ ও মৎস্য প্রকল্পে মাসিক বেতনে কর্মরত ছিলেন। দীর্ঘদিন ধরে ওই এলাকায় দুটি পক্ষের মধ্যে লবণ মাঠ ও মাছের ঘেরের দখল নিয়ে বিরোধ চলছিল।
মামলার এজাহার অনুযায়ী, গত ৩০ জুলাই রাত থেকে ৩১ জুলাই ভোর পর্যন্ত তাজুর ঘোনা এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে একদল সশস্ত্র ব্যক্তি হামলা চালায়। এ সময় পাহারার দায়িত্বে থাকা জিল্লুর রহমানকে লক্ষ্য করে গুলি করা হলে তিনি গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয়রা তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয় এবং বিষয়টি বিভিন্ন গণমাধ্যমে গুরুত্বের সঙ্গে প্রচারিত হয়।
এ ঘটনায় নিহতের বাবা বাদী হয়ে বাঁশখালী থানায় ৪০ জনের নাম উল্লেখ করে এবং আরও ২০–৩০ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করে হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলাটি গত ২ আগস্ট দায়ের করা হয়।
র্যাব-৭ জানায়, মামলার পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তারে গোয়েন্দা নজরদারি অব্যাহত ছিল। এরই ধারাবাহিকতায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানা যায়, এজাহারভুক্ত আসামি মুন্সি আলম বোয়ালখালী এলাকায় অবস্থান করছেন। পরে শনিবার (৮ আগস্ট) বিকেলে বোয়ালখালী উপজেলায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃত আসামিকে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বাঁশখালী থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে বলে জানিয়েছে র্যাব-৭।




No comments:
Post a Comment