বেলকুচিতে মিথ্যা অপবাদ দিয়ে বিয়ে দিয়ে দেওয়ার কথা বলে ৪০ হাজার টাকা হাতিয়ে নিয়েছে ২ যুবক - Ekushey Media bangla newspaper

Breaking News

Home Top Ad

এইখানেই আপনার বা প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ: 01915-392400

নিউজের উপরে বিজ্ঞাপন

Sunday, 7 June 2020

বেলকুচিতে মিথ্যা অপবাদ দিয়ে বিয়ে দিয়ে দেওয়ার কথা বলে ৪০ হাজার টাকা হাতিয়ে নিয়েছে ২ যুবক

সবুজ সরকার, বেলকুচি (সিরাজগঞ্জ)প্রতিনিধিঃ

সিরাজগঞ্জের বেলকুচি উপজেলায় গোপালপুর চরকাদহ গ্রামে এক মেয়েকে মিথ্যা অপবাদ দিয়ে বিয়ে দিয়ে দেওয়ার কথা বলে ৪০ হাজার টাকা হাতিয়ে নেওয়া অভিযোগ উঠেছে। বেলকুচি উপজেলার দৌলতপুর ইউনিয়নের পেস্তক গ্রামের মোক্তার হোসেনের ছেলে নয়ন হোসেন (২২) ও জেলহক আলীর ছেলে লিটন (২২) নামের দুই যুবকের বিরুদ্ধে তাদের পাশের গ্রামে মিথ্যা অপবাদ দিয়ে বিয়ে দেওয়ার কথা বলে ৪০ হাজার টাকা হাতিয়ে নিয়েছে  বলে অভিযোগ তুলেছে ভুক্তভোগীর পরিবার।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত বৃহস্পতিবার সকালে ভুক্তভোগীর বাড়িতে পরিচিত সুমন (২৬) নামের এক ছেলে আসে। ছেলেটা সারা দিন থাকার পরে সন্ধ্যায় নয়ন, লিটন সহ ৭/৮ ছেলে এসে তাদের বাড়িতে ভিড় করে। এক পর্যায়ে ওই ছেলেটাকে দেখে তারা ওই বাড়ির মেয়ের সম্পর্কে  মিথ্যা অপবাদ দিয়ে সুমন  নামের ছেলেটাকে ধরে নিয়ে যায়। পরে মেয়েটার সাথে বিয়ে দেওয়ার কথা বলে। ভুক্তভোগীর পরিবার নিরুপায় হয়ে রাজি হয়। পরে নয়ন, লিটন  ভুক্তভোগীর পরিবারে কাছ থেকে বিয়ে দিয়ে দেওয়ার কথা বলে  ৪০ হাজার টাকা হাতিয়ে নেয়। কিন্তু ওই মেয়েটার সাথে বিয়ে না দিয়ে ছেলের পরিবারের সাথে যোগাযোগ করে ২০ হাজার ৫ শত টাকা নিয়ে ছেলেকে ভাগিয়ে দেয়।

ভুক্তভোগীর মা জানায়, আমার ছেলের পরিচিত সুমন সে সুবাধে আমার বাড়িতে অনেক বার যাওয়া আসা করেছে। কিন্তু গত বৃহস্পতিবার সকালে ওই ছেলেটা আমাদের বাড়িতে আসে। সারাদিন থাকে সন্ধ্যার দিকে প্রতিবেশী মৃত মোসলেস ফকিরের ছেলে মোন্নাফ ন্যাংড়া (৪৫) ইগিতে মোক্তারের ছেলে নয়ন ও জেলহকের ছেলে লিটন সহ আরো অনেক আমার বাড়িতে এসে আমার মেয়ের নামে মিথ্যা অপবাদ দিয়ে ওই ছেলেটকে বলে কিসের সম্পর্ক । তার পর ছেলেটা কে ধরে নিয়ে যায়। কিছুক্ষণ পর নয়ন ও লিটন এসে বলে আপনার মেয়ের সাথে প্রেম আছে বিয়ে দিয়ে দিতে হবে। কেনো যৌতুক দিতে হবে না আমাদের ৪০ হাজার টাকা দিন আমরা থেকে বিয়ে দিয়ে দেই। পরে আমি গয়না বন্ধুক রেখে ৪০ হাজার টাকা গুচ্ছিয়ে  নয়ন ও লিটনের হাতে তুলে দেয়। পরে শুনতে পারি ছেলেটার পরিবারে সাথে যোগাযোগ করে টাকা নিয়ে পরিবারের হাতে দিয়েছে। পরে ছেলের বিষয় জানতে চাইলে আমাকে বলে ছেলে তিনটা বিয়ে করেছে এই জন্য বিয়ে দেওয়া যাবে না। নয়ন ও লিটনের কাছে টাকা ফেরৎ চাইলে তারা টাকা ফেরৎ না দিয়ে উল্টা ভয় ভ্রীতি দেখাচ্ছে। তিনি আরও জানান, মোন্নাফ ন্যাংড়া  আমার মেয়ের অনেক আগে থেকে ক্ষতি করা চেষ্টা করছে এ সব যা হয়েছে সব তার ইংগিতে। আমার সমাজে মাতুব্বর আলহাজ্বের কাছে বিষটা জানালে এখন পর্যন্ত এর সমাধান দেয়নি। পরে জানতে পারি সে ওই টাকা থেকে ১০ হাজার টাকার ভাগ নিয়েছে। আমার মেয়েকে নিয়ে যারা মিথ্যা অপবাদ দিয়ে বিয়ে দিয়ে দেওয়ার কথা বলে ৪০ হাজার নিয়েছে আল্লাহ তাদের বিচার করবে।

এ বিষয়ে মোন্নাফ ন্যাংড়া কাছে জানতে গেলে, সে কৌশলে বাড়ি থেকে পালিয়ে যায়।

আলহাজ্ব প্রমানিকের সাথে মুঠোফোন যোগাযোগ করলে তিনি একুশে মিডিয়াকে বলেন, আমি এখন পর্যন্ত কিছু জানিনা। তাকে ৬০ হাজার টাকার মধ্যে ১০ হাজার টাকার ভাগ নিয়েছেন এমন অভিযোগ  করলে  ফোন কেটে দেন।

গোপালপুর ৯নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য সোবাহান আলী একুশে মিডিয়াকে জানান, আমি লোকমুখে এই ঘটনার কথা জেনেছি। এই ধরনের ঘটনার খুবই দুঃখজনক। যারা এই ধরনের ঘটনার সাথে জড়িত তাদের  উপযুক্ত শাস্তিদাবী জানাচ্ছি। 

এ বিষয়ে বেলকুচি থানা অফিসার ইনচার্জ আনোয়ারুল ইসলাম একুশে মিডিয়াকে বলেন, আমরা বিষয়টি সম্পর্কে অবহিত হয়নি। অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয়  ব্যবস্থা নেওয়া হবে।





একুশে মিডিয়া/এমএসএ

No comments:

Post a comment

নিউজের নীচে। বিজ্ঞাপনের জন্য খালী আছে

Pages