দূর্নীতি ও মাদকের সাম্রাজ্য গড়ে তুলেছে মেহেদী ও তার সহযোগীরা-একুশে মিডিয়া - একুশে মিডিয়া একটি স্বাধীন, নিরপেক্ষ ও বস্তুনিষ্ঠ গণমাধ্যম হিসেবে সংবাদ পরিবেশনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা

ক্লিক করুন

Breaking News

Home Top Ad

নিউজের উপরে বিজ্ঞাপন

Saturday, 6 October 2018

দূর্নীতি ও মাদকের সাম্রাজ্য গড়ে তুলেছে মেহেদী ও তার সহযোগীরা-একুশে মিডিয়া



একুশে মিডিয়া, অনুসন্ধানী রিপোর্টার-আল আমিন মুন্সী:

দূর্নীতি আর মাদকের বিরূদ্ধে দেশ যখন স্বোচ্চার তখনও কুমিল্লা জেলার চান্দিনা থানার জোয়াগ ইউনিয়ন চেয়ারম্যান মেহেদী হাসান মাসুদ তালুকদার ও তার সহযোগীরা প্রশাসনের ধরা ছোয়ার বাহিরে বুক ফুলিয়ে দূর্নীতি,চোরাকারবারী ও মাদক সাম্রাজ্যে গড়ে তুলেছে তার ইউনিয়ন পরিষদ সহ অত্র এলাকা।
অনুসন্ধানে জানা যায় মেহেদী হাসান মাসুদ তালুকদার তিনি প্রথমে আওয়ামীলিগের দলীয় পার্টি থেকে ইউনিয়ন চেয়ারম্যান নির্বাচনের জন্য আবেদন করলে কুমিল্লা-০৭ আসনের এমপি অধ্যাপক আলী আশ্রাফ তার ব্যাপরে খোজ খবর নিয়ে জানতে পারেন সে এলাকায় মাদক,দূর্নীতি ও চোরাকারবারীর অনেক অভিযোগ রয়েছে।
তখন তাকে আর দলীয় প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন দেওয়া হয় নাই।কিন্তু সে ২০১১ সালে স্বতন্ত্র থেকে নির্বাচন করে বিএনপি সমর্থী মাওলানা আবু তাহের ভূইয়ার কাছে পরাজিত হয়।ঐ নির্বাচনে সে প্রায় ১ কোটি ৫০ লক্ষ টাকা খরচ করে।২০১৫ সালের ইউপি নির্বাচনে তাকে আওয়ামীলিগ দলীয় প্রার্থী মনোনয়ন দিলেও থাকে প্রশ্নবিদ্ধ।তার ২০১৫ সালের নির্বাচনে মোট খরচের সংখ্যা প্রায় ১ কোটি ২০ লক্ষের কাছাকাছি।
সে নির্বাচনে মনোনয়ন পাওয়ার পর থেকে এলাকার মানুষের মনে আতংকের নাম হয়ে উঠে মেহেদী চেয়ারম্যান।এলাকার মানুষের অভিযোগ রাত যত গভীর হয় এলাকার রাস্তা ঘাট ও ইউনিয়ন অফিস হয়ে ওঠে মাদকের সাম্রাজ্য।ইউনিয়ন পরিষদের পাশেই রয়েছে জোয়াগ দক্ষিন বাজার। জোয়াগ বাজারের ব্যাবসায়ীদের অভিযোগ রাত ৮ থেকে ১০ টার মধ্যে সকল দোকানদারদের দোকান বন্ধ করার নির্দেশ রয়েছে।
এলাকার জনসাধারণের অভিযোগ রাত গভীরের সাতে সাথে এলাকায় অপরিচিত লোকদের আনাগোনা বেড়ে যায়।রাস্তায় মাদকাসক্ত লোকজন হাটাহাটি করে।এ নিয়ে এলাকার যুব সমাজ মাদকাসক্তের হুমকির মুখে রয়েছে।বহু যুবক চেয়ারম্যানের ছত্র ছায়ায় মাদক ব্যাবসাকেই লাভজনক ব্যাবসা হিসেবে বেচে নিয়েছে।এবং চেয়ারম্যান নিজেই একজন মাদকাসক্ত বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।এ নিয়ে চেয়ারম্যানের নারী নিয়ে রঙ্গ ও ইয়াবা খাওয়ার দৃশ্য ভিডিও ফেইসবুকে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়েছে।
কিন্তু তারপরও প্রশাসনের কোন পদক্ষেপ না থাকায় এলাকার মানুষের মাঝে হতাশা কাজ করছে। তিনি ইউনিয়ন পরিষদের ই-সেবার মধ্য দিয়ে জনসাধারণের কাছ থেকে হাজার হাজার টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।বর্তমানে বিনামূল্যে ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ প্রকল্প নামক সেবাকে হাতিয়ার করে প্রতিটি মিটার বাবদ বিভিন্ন মেয়াদে প্রতিটি মিটার থেকে ১০/১৫ হাজার টাকা নিয়ে সরকারের দূর্নাম তৈরি করতেছে।ইউনিয়ন পরিষদে জন্ম নিবন্ধন বাবদ ১ হাজার থেকে শুরু করে যার থেকে যত আদায় করতে পারে তাই লুটে নিচ্ছে।
এ নিয়ে জনসাধারনের কেউ অভিযোগ করলে তাকে ইউনিয়ন পরিষদে ডেকে মারধর, নির্যাতন ও মৃত্যু হুমকি দেয় চেয়ারম্যান ও তার সহযোগীরা।তাই কেউ তার বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ ও মুখ খুলতে সাহস পায়না।তার সহযোগিতায় এলাকার ইয়াকুব (৪৫) নামের এক ব্যাক্তির বাড়িতে পুলিশ অভিযান চালিয়ে জুয়ার আসর থেকে বেশ কয়েকজনকে গ্রেফতার করেছিলো।এলাকার জনসাধারনের কাছ থেকে খোজ নিয়ে জানা যায় এলাকায় প্রায়ই মাদক ও জুয়ার বাগ বাটোয়ারা নিয়ে মারামারি হয়।
এ নিয়ে এলাকার জনসাধারণ সুবিচার ও এলাকার শান্তি কামনায় দূর্নীতি দমন কমিশন ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নিকট বিচার চেয়েছেন। একুশে মিডিয়া।

No comments:

Post a Comment

নিউজের নীচে। বিজ্ঞাপনের জন্য খালী আছে

Pages