![]() |
একুশে মিডিয়া, মোঃ জাকির হোসেন, দোহার (নবাবগঞ্জ) প্রতিনিধি:
ঢাকার নবাবগঞ্জ উপজেলার বক্সনগর ইউপির ২নং ওয়ার্ডের সদস্য পদে উপ-নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার পর বিজয়ী প্রার্থীর বাড়িতে হামলা করেছে দুই পরাজিত প্রার্থীর সমর্থকরা। এঘটনায় বিজয়ী প্রার্থীর পরিবারের ৬ সদস্য আহত হয়েছে। পুলিশ দুই হামলাকারীকে আটক করেছে।
শুক্রবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় এঘটনা ঘটে। আহতরা হলেন বিজয়ী প্রার্থীর- ভাগ্নে মো. রণি (১৯), মেঝো ভাই মো. মুক্তার আলী (৩৮), বোন কুলসুম বেগম (৪৮), চাচাত ভাই সোহেল (৩৫), বোন জামাই রুবেল বাবু (২৮), মেয়ে সাদিয়া আফরিন (১৪)। আহতদের নবাবগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
আটককৃতরা হলেন- বর্দ্ধনপাড়া গ্রামের আব্দুস সাত্তারের ছেলে মো. সেলিম (৩৭) ও বাহ্রা গ্রামের সিদ্দিকুর রহমানের ছেলে সাজু মিয়া (৩০)। নবাবগঞ্জ থানার ওসি মোস্তফা কামাল আটকে সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
উপজেলা নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা যায়, বক্সনগর ইউপির ২নং ওয়ার্ড সদস্য মো. আবু জাহের গত ২০ জুলাই মস্তিস্কের রক্তক্ষরণজনিত রোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেন। এরপর আসনটি শূন্য হয়ে যাওয়ায় উপজেলা নির্বাচন অফিস উপ-নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেন।
প্রত্যক্ষদর্শী, পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বুধবার বক্সনগর ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য পদে উপ-নির্বাচন ছিল। নির্বাচনে মো. আক্কাস আলী ফুটবল মার্কা, মো. মঞ্জুর হোসেন মোরগ মার্কা, মো. সাইদুল ইসলাম শাহিন সিলিং ফ্যান মার্কা নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। কড়া নিরাপত্তায় বুধবার সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত পিকেবি স্কুল এন্ড কলেজ কেন্দ্রে শান্তিপূর্ণভাবে ভোটগ্রহন সম্পন্ন হয়। ভোট গণনার পর মো. আক্কাস আলী ৩০৮ ভোট পেয়ে জয়লাভ করেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মো. মঞ্জুর হোসেন পান ২৯৫ ও মো. সাইদুল ইসলাম শাহিন পান ২৮৫ ভোট। সন্ধ্যা ৬টায় প্রিজাইডিং অফিসার মো. লিয়াকত হোসাইন নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা করেন। সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে বিজয়ী আক্কাস আলীর পরিবারের লোকজন বাড়িতে ফেরে। এসময় পরাজিত দুই প্রার্থীর সমর্থকরা আক্কাস আলীর বাড়িতে হামলা করে। পরে তার পরিবারের ৬ সদস্যকে এলোপাতারি পিটিয়ে আহত করে। খবর পেয়ে নবাবগঞ্জ থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে সেলিম ও সাজু নামে দুই ব্যাক্তিকে আটক করেছে।
নবাবগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোস্তফা কামাল ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, এখনো লিখিত অভিযোগ পাইনি। পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে। একুশে মিডিয়া।





No comments:
Post a Comment