সজাগ-এর প্রকল্প পরিচালক রওশন আরা সেমিনারে পরিসংখ্যান উপস্থাপন করেন। পরিসংখ্যানের ওপর আলোচনা করেন সজাগ কোয়ালিশনের দলনেতা মাহীন সুলতান।।”।
চলতি বছরের মার্চ থেকে জুন পর্যন্ত সাভার, আশুলিয়া ও গাজীপুর এলাকার ৮টি কারখানার ৩৮২ নারী পোশাক শ্রমিকের সঙ্গে ফোকাস গ্রুপ ডিসকাশন ও সাক্ষাৎকারের ভিত্তিতে এ পরিসংখ্যান তৈরি করা হয়।।”।
পরিসংখ্যানে আসা প্রত্যেকটি কারখানা কমপ্লায়েন্সভুক্ত এবং এর মধ্যে অর্ধেক সজাগ কোয়ালিশনের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ। কমপ্লায়েন্সের তালিকার বাইরের কারখানাগুলোর পরিসংখ্যান করলে এ হয়রানির পরিমাণ আরও বাড়বে বলে ধারণা করা হয়।।”।
৬৬ শতাংশ শ্রমিক বলেছেন, তারা কারখানার কমিটির কাছে কোনও সহযোগিতা বা প্রতিকার চান না। কারণ কমিটির কাছে কোনও বিচার পাওয়া যায় না।।”।
১১ শতাংশ নারী শ্রমিক মনে করেন, তারা কর্মক্ষেত্রে অনিরাপদ। ৮৩ শতাংশ মনে করেন, কর্মক্ষেত্রে তাদের সঙ্গে অশালীন বা অকথ্য ভাষায় কথা বলা, কারখানায় প্রবেশের সময় নিরাপত্তা কর্মীর অস্বস্তিকর চেকিং, পুরুষ সহকর্মীর অপ্রত্যাশিত স্পর্শ, যৌন সম্পর্ক তৈরির চেষ্টা এগুলো হয়রানি।।”।
আর ৬৮ শতাংশ বলেন, কর্মক্ষেত্রে তেমন কোনও কার্যকর যৌন হয়রানি প্রতিরোধ কমিটি নেই।।”।
এতে উপস্থিত ছিলেন মিনিস্ট্রি অব লেবার অ্যান্ড ইমপ্লয়মেন্টের ল’ ডিভিশনের অ্যাসিসটেন্ট সেক্রেটারি বেগম মোর্শেদা, ডাইফির জেন্ডার ইকুয়ালিটি অ্যান্ড ওমেন এমপাওয়ারমেন্ট প্রজেক্ট ডিরেক্টর ডিআইজি মতিউর রহমান, রেনেসাঁ গ্রুপের করপোরেট হেড অব এইচআর সৈয়দা শায়লা আশরাফ প্রমুখ। একুশে মিডিয়া।”।





No comments:
Post a Comment