নবায়ন ছাড়াই ২২বছর সভাপতি, ৫বছর এমপি: একত্রিত করতে পারেনি দলীয় নেতা-কর্মীদের-একুশে মিডিয়া - একুশে মিডিয়া একটি স্বাধীন, নিরপেক্ষ ও বস্তুনিষ্ঠ গণমাধ্যম হিসেবে সংবাদ পরিবেশনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা

ক্লিক করুন

Breaking News

Home Top Ad

নিউজের উপরে বিজ্ঞাপন

Wednesday, 29 August 2018

নবায়ন ছাড়াই ২২বছর সভাপতি, ৫বছর এমপি: একত্রিত করতে পারেনি দলীয় নেতা-কর্মীদের-একুশে মিডিয়া



একুশে মিডিয়া, ষ্টাফ রিপোর্টার-চট্টগ্রাম:

পুর্নবীকরণ ছাড়াই ২২ বছর সভাপতি ও ৫ বছর এমপি মোস্তফিজ একত্রিত করতে পারেনি চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলা আওয়ামী লীগের দলীয় নেতা-কর্মীদের।

চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলাধীন বাঁশখালী উপজেলা ১৫ টি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত হয় ১৯৮৩ সালে।পরে ২০০২ সালের ২২ ডিসেম্বর জলদী ইউনিয়নকে বাঁশখালী পৌরসভা গঠিত হয়।

টানা ২২ বছরও চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলাধীন বাঁশখালী উপজেলা আওয়ামী লীগের আর কোনো কমিটি হয়নি। এরপর দীর্ঘ ২২ বছর চলে গেলেও হয়নি উপজেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলন কিংবা কমিটি বিহীন রয়েছে।
দীর্ঘ সময় কমিটি না হওয়ার কারণে তৈরি হয়েছে নামে বেনামে গ্রুপ রাজনীতি। এসব গ্রুপ-উপগ্রুপের নেতৃত্ব দিচ্ছেন কেউ ১৯৯৬ সালে ঘোষতি কমিটির নেতা, কেউ পদে বঞ্চিত নেতা। কেউ বর্তমান জেলা আওয়ামী লীগের নেতা। দুই যুগ আগের কমিটির নেতারা। দীর্ঘ সময় কমিটি না হওয়ায় দলের সাংগঠনিক কাঠামো ভেঙে যাওয়ার পাশাপাশি স্থবির হয়ে পড়েছে স্বাভাবিক কার্যক্রম

যার ফলে একাদশ সংসদ নিবার্চনে চট্টগ্রাম ১৬ (বাঁশখালী) আসনটি হাত ছাড়া হতে পারে বলে মনে করছেন স্থানীয় নেতা-কর্মীরা।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করেন, রাজনৈতিক অদক্ষতার কারণে চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলাধীন উপজেলা আওয়ামী লীগের কোন্দল সৃষ্টি হয়েছে এবং মনোনয়ন প্রত্যাশীরা এক হতে পারছেনা
অবস্থায় শেষ পর্যন্ত আসনে  মহাজোটগত ভাবেই  প্রার্থী দেওয়া সম্ভবনা রয়েছে। মহাজোটের শরীক দল জাতীয় পার্টি মনোনয়ন পেয়ে যেতে পারে আসনে

চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলাধীন বাঁশখালী উপজেলা আওয়ামী লীগের ১৯৭৩ সালে প্রথম সংসদ নির্বাচনে এ আসন থেকে সংসদ সদস্য হন আওয়ামী লীগের শাহ–ই–জাহান চৌধুরী।

১৯৭৯ সালের নির্বাচনে বিএনপির টিকিটে নির্বাচিত হন বর্তমানে জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য ও চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রথম মেয়র মাহমুদুল ইসলাম চৌধুরী। পরে তিনি জাতীয় পার্টিতে যোগ দিয়ে ১৯৮৬ ও১৯৮৮ সালেও সংসদ সদস্য হন।

১৯৯১ সালের নির্বাচনে জয়লাভ করেন আওয়ামী লীগের সুলতান–উল–কবির চৌধুরী। ১৯৯৬ সালের দুই দফা, ২০০১ ও ২০০৮ সালের নির্বাচনে বিএনপি প্রার্থী জাফরুল ইসলামচৌধুরী সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।

২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি দশম সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ আসনে মোস্তাফিজুর রহমান চৌধুরী।
এখনও কিন্তু দলের কোন্দল যায়নি এই উপজেলায়।
বাঁশখালীতে ১৯৯৬সালের ২৯ নভেম্বর আওয়ামী লীগের সম্মেলন হয়। সম্মেলনে বর্তমান সংসদ সদস্য মোস্তাফিজুর রহমানচৌধুরীকে সভাপতি ও খোরশেদ আলমকে সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত করা হয়।

এর কয়েক বছর পরঅভ্যন্তরীণ কোন্দলের কারণে খোরশেদ আলমকে বাদ দিয়ে ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক করা হয় আব্দুলগফুরকে।

এরপর গত ২২ বছর বাঁশখালী উপজেলা আওয়ামী লীগের আর কোনো কমিটি হয়নি।
এর মধ্যে ওইকার্যকরী কমিটির অনেক সদস্য মারা গেছেন। আবার অনেকে বিদেশে চলে গেছেন। এখন যাঁরা আছেন তাঁদেরঅনেকেই সক্রিয় নন।

আগে কোন্দল ছিল সুলতানুল কবির চৌধুরীর সঙ্গে আখতারুজ্জামান চৌধুরী বাবুর। এখন চলছে বাবুর ভাগিনা আবদুল্লাহ কবির লিটনের সঙ্গে বর্তমান সংসদ সদস্য মোস্তাফিজুর রহমানের।

বিভিন্ন সভা-সমাবেশ থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষের মুখেও শুনা যাচ্ছে এ আসনে আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা ঐক্যবদ্ধ না হলে বড় ধরণের বিপর্যায় ঘর্টনা ঘটে পারে। একুশে মিডিয়া।


No comments:

Post a Comment

নিউজের নীচে। বিজ্ঞাপনের জন্য খালী আছে

Pages