![]() |
একুশে মিডিয়া, গল্প:
লেখক: মোঃ ইব্রহীম ফরায়েজী:
মিলি অষ্টম শ্রেনীতে পড়তো,
আর শুব দশম শ্রেনীতে পড়তো
তখনই তাদের রিলেশন হয়,
দুইবছর যাবত সম্পর্ক খুব গভীর
হয়ে ওঠে,
এর পর মিলি যখন দশম শ্রেনীতে
উর্ত্তীর্ন হয় তখন মেয়েটির মা-বাবা মিলির জন্য বিয়ে দেওয়ার সিদ্বান্ত নেয়,
কথাটি মিলি শুভ কে বলে
এখন কি করবা করো,
আমি তোমাকে ছাড়া বাঁচবো না,
শুভ ও মেয়েটিকে সত্যিই ভালোবাসতো,
শুভ কি করবে পাচ্ছে না .?
শুভর বড় ভাই একটা আছে সে ও
বিয়ে করে নাই,
এখন শুভ বিয়ে করার প্রস্তাব দিবে ক্যাম্নে..?
মা-বাবা কে বলবে ক্যাম্নে,
চরম টেনশনে পড়ে গেলো,
'
শুভ নিজের মান-সম্মানের দিকে
না তাকিয়ে
মা-বাবা কে কান্না করে,
আকুতি-মিনতি করে বল্লো
মেয়েটি ও আমাকে ভালোবাসে,
আমি ও তাকে ভালোবাসি,
যদি আপনারা মেনে না নেন
আমাদের দুটি প্রান অকালে ঝরে যাবে,
আমরা আত্মহত্যা করবো,
এমন অবস্থা দেখে শুভর
বাবা মা রাজি হলো,
শুভর বাবা-মা ও এলাকার মেম্বার কে
নিয়ে বিয়ের প্রস্তাব নিয়ে
মিলের বাড়িতে যায়,
মিলির বাবা কোন ভাবেই রাজি নই,
পরবর্তী তে থ্রেড দেয়
দ্বিতীবার বিয়ের কথা বল্লে আমি মামলা
করতে বাধ্য হবো,
সবার সামনে অপমান করে
শুভর বাবা মা কে,
কয়েকদিন পর মিলিকে
সৌদিআরব প্রবাসী একটা ছেলের
কাছে বিয়ে দিয়ে দেয়,
সুন্দরভাবে চলছে মেয়েটির সংসার,
মিলির স্বামীর বিয়ের ৩মাস পর
ছুটি শেষ,
আবার সৌদিআরব চলে যায়,
যখন স্বামী বিদেশ যাচ্ছে তখন
মিলির পেটে ২মাস ১৫দিন
দিনের সন্তানের গর্ভবতী মেয়েটি,
স্বামী সৌদিআরব যাওয়ার ১৫দিন পর
ওখানে স্বামী মারা যায়,,
একটি সড়ক দুর্ঘটনায়,
এ কি আর্তনাদ মিলির
একি হাহাকার,
স্বামীর মৃত্যুর ৪৫দিন
পর আগের সেই প্রিয়জনের সাথে দেখা
হলো,
মিলি কাঁদতে কাঁদতে শুভকে কথাটি
বল্লো,
শুভ ও কাঁদতে লাগলো কথা গুলো শুনে,
মিলি শুভ কে বল্লো তুমি কি
এখন ও আমায় মেনে নিবে আমায়.?
আমি ৫মাসের গর্ভবতী,
'
শুভ কিছুক্ষণ চুপ করে উত্তর দিল
তুমি ১টা সন্তান কেন ১০টা সন্তানের মা
হলেও আমি তোমাকে মেনে নিবো,
আমি তোমাকেই ভালোবাসি...
একুশে মিডিয়া।”।
লেখকের পরিচয়।
ইউনানী চিকিৎসক
মোঃ ইব্রহীম ফরায়েজী
ডি ইউ এম এস.তৃতীয় বর্ষ. ভোলা ইসলামীয়া ইউনানী মেডিকেল কলেজ।
ভোলা, বাংলাদেশ।




No comments:
Post a Comment