কর্ণফুলী (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি:
চট্টগ্রামের কর্ণফুলী উপজেলার চরলক্ষ্যা ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের সৈন্যরটেক এলাকায় পবিত্র মাহে রমজানের মধ্যে এক পরিবারের দিন কাটছে চরম অনিশ্চয়তায়। দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত হয়ে আইসিইউতে জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে লড়ছেন তরুণ উদ্যোক্তা শহিদুল ইসলাম পাভেল।
গত ১২ ফেব্রুয়ারি নিজ বাসায় অসাবধানতাবশত পা পিছলে পড়ে মাথায় মারাত্মক আঘাত পান পাভেল। তাৎক্ষণিকভাবে তাকে চট্টগ্রামের একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বর্তমানে তিনি নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) লাইফ সাপোর্টে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
স্বজনরা জানান, দুর্ঘটনার পর থেকে চিকিৎসকদের নিবিড় পর্যবেক্ষণে থাকলেও এখনো তার শারীরিক অবস্থার উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়নি। এক সময়ের কর্মচঞ্চল ও পরিশ্রমী এই তরুণ উদ্যোক্তা এখন কৃত্রিম শ্বাস-প্রশ্বাসের ওপর নির্ভরশীল। পরিবারের সদস্যরা হাসপাতালের করিডোরে প্রতিটি মুহূর্ত পার করছেন দোয়া ও উৎকণ্ঠায়।
পাভেলের সংসারে রয়েছে মাত্র ১৮ মাস বয়সী এক শিশু সন্তান। বাবার অনুপস্থিতি বোঝার বয়স না হলেও, তার শূন্যতা প্রতিনিয়ত নাড়া দিচ্ছে পরিবারকে। স্ত্রী, বৃদ্ধ বাবা-মা ও স্বজনদের চোখে এখন একটাই প্রত্যাশা- সুস্থ হয়ে সন্তানের কোলে ফিরে আসবেন পাভেল।
পরিবার জানায়, ছোট একটি ব্যবসার আয়ে চলা এই পরিবারের পক্ষে দীর্ঘমেয়াদি আইসিইউ চিকিৎসার ব্যয় বহন করা অত্যন্ত কষ্টসাধ্য হয়ে পড়েছে। প্রতিদিনের হাসপাতাল বিল, ওষুধ ও আনুষঙ্গিক খরচ মেটাতে গিয়ে ইতোমধ্যে সঞ্চয় শেষ হয়ে গেছে। আর্থিক সংকট ক্রমেই ঘনীভূত হচ্ছে।
এমন পরিস্থিতিতে মাহে রমজানের এই পবিত্র সময়ে সমাজের সহৃদয় ও সামর্থ্যবান ব্যক্তিদের সহযোগিতা কামনা করেছেন পাভেলের পরিবার। তাদের ভাষ্য, সবার সামান্য আর্থিক সহায়তাই হতে পারে পাভেলের নতুন জীবনের সম্ভাবনা।
সহায়তা পাঠানোর জন্য পরিবারের পক্ষ থেকে দুটি বিকাশ (পার্সোনাল) নম্বর দেওয়া হয়েছে-
০১৯৫৬-৭৫৬৩২৩ (ফরিদুল আলম, বড় ভাই)
০১৬১৩-৫৩৮০০২ (মুহাং হারুন)
পরিবারের আশা, রমজানের রহমত ও মানুষের সহমর্মিতায় পাভেল সুস্থ হয়ে আবার স্বাভাবিক জীবনে ফিরবেন। একটি অবুঝ শিশুর মুখে বাবার হাসি ফিরিয়ে আনতে এখন সমাজের মানবিক সহায়তাই তাদের একমাত্র ভরসা।




No comments:
Post a Comment