![]() |
একুশে মিডিয়া, বিশেষ রিপোর্ট:
জনগণের চিকিৎসা সেবায় নিজেদের উৎসর্গ করতে ডাক্তার, নার্স ও সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহবান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।।”।
ঢাকায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতাল’ নির্মাণ কাজের ভিত্তি স্থাপন অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী স্বাস্থ্যসেবায় নিয়োজিত ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে রোগ প্রতিরোধে গবেষণা বাড়াতে এবং সুস’ জীবনের জন্য সচেতনতা সৃষ্টিতে অবদান রাখতে বলেন।।”।
তিনি দেশের বেসরকারি মেডিক্যাল কলেজগুলির শিক্ষার মান নিশ্চিত করতে নজরদারি বাড়ানো এবং দেশের সরকারি বেসরকারি মেডিক্যাল কলেজগুলি মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে ন্যস্ত করার কথা বলেন।।”।
ঢাকায় সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতালটি হবে ১০০০ শয্যার, ১১ তলা এই হাসপাতালটির ব্যয় ধরা হয়েছে ১ হাজার ৩শ ছেষট্টি কোটি টাকা। দক্ষিণ কোরিয়ার অর্থায়নে এই হাসপাতালটি তৈরি হচ্ছে, হাসপাতালটি তৈরি হলে এক ছাদের নিচেই মিলবে সব ধরনের স্বাস্থ্যবা।
দেশের প্রতিটি বিভাগে মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন করা হবে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ইতোমধ্যে চট্টগ্রাম ও রাজশাহীতে বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন করা হয়েছে। সিলেটের জন্য অনুমোদন দেয়া হয়েছে।।”।
মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় মেডিক্যাল ছাত্রদের জন্য উচ্চশিক্ষা এবং উন্নত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করবে।।”।
দেশে স্বাস্থ অবকাঠামো মোটামুটি সন্তোষজনক হলেও সামগ্রিক চিকিৎসা ব্যবসস্থাপনা, সেবার মান এবং বেসরকারি মেডিক্যাল কলেজগুলির শিক্ষামানের ক্ষেত্রে ঘাটতি রয়েছে।।”।
চিকিৎসা গবেষণার ক্ষেত্র খুবই সংকুচিত। চিকিৎসা সেবা, সেসব রোগ নির্ণয়, প্রযুক্তি ক্ষেত্রে বিশ্বে প্রতিনিয়ত পরিবর্তন চলছে, দেশের চিকিৎসায় তার প্রয়োগের বিষয়ে আমাদের ঘাটতি ব্যাপক। রোগীদের আস্থা অর্জনে সমস্যা দিন দিন প্রকট হচ্ছে। মানুষ রোগ নির্ণয়, অস্ত্রোপচার ও মানসম্পন্ন সেবা নিতে বিদেশে চলে যাচ্ছেন।।”।
ভুল চিকিৎসা, অপচিকিৎসা, যথাসময়ে সেবা প্রদানে অনীহা- সরকারি-বেসরকারি হাসপাতালগুলির এসব বিষয় নিয়ে প্রতিনিয়তই সংবাদপত্রে, গণমাধ্যমে নানা প্রতিবেদন, চিত্র উঠে আসছে যা মানুষের মধ্যে আস’ার সংকট তৈরি করছে।।”।
চট্টগ্রামে বেসরকারি হাসপাতাল এবং ক্লিনিকগুলির চরম অব্যবস’াপনা, রোগীদের চিকিৎসা দিতে নানা জটিলতা, ভ্রান্তি ও নানা অভিযোগের খবর পত্রপত্রিকায় আসছে। ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান, সরকারি কর্তৃপক্ষের কিছু পদক্ষেপ সত্ত্বেও পরিসি’তির তেমন উন্নত নেই।।”।
চিকিৎসকদের সচেতনতা, দায়িত্ববোধ এবং বিধিবিধান প্রয়োগে প্রশাসনের ভূমিকা পরিসি’তির পরিবর্তন ঘটাতে পারে। এক্ষেত্রে স্বাস্থ্যমন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ মেডিক্যাল এসোসিয়েশন, বিএমডিসির দায়িত্ব রয়েছে। মেডিক্যাল শিক্ষার মান নিশ্চিত করা না গেলে দক্ষ এবং মানসম্মত চিকিৎসক তৈরি করাও সম্ভব হবে না।।”।
আমাদের উন্নত চিকিৎসা সুবিধা এখনো রাজধানী কেন্দ্রিক, বিভাগীয় শহর বা জেলায় এ সুযোগ সুবিধা একেবারেই কম। চট্টগ্রামে বিশেষায়িত হাসপাতাল নেই বললেই চলে। শিশু হাসপাতালের জন্য বরাদ্দ থাকলেও স্থান নির্বাচন হয়নি। চিকিৎসা ব্যয় দরিদ্র ও নিম্নবিত্তদের নাগালের বাইরে চলে যাচ্ছে। আমরা মনে করি, দেশের সকল অঞ্চলের মানুষ যাতে স্বাস্থ্যসেবা সুলভে এবং সহজে পায়, সরকারকে তা নিশ্চিত করতে হবে- এ ক্ষেত্রে বৈষম্য থাকা উচিত নয়। একুশে মিডিয়া।”।




No comments:
Post a Comment