এখন সময় এসেছে ভিক্ষুকমুক্ত রাজশাহী গড়ার- জেলা প্রশাসক। একুশে মিডিয়া - একুশে মিডিয়া একটি স্বাধীন, নিরপেক্ষ ও বস্তুনিষ্ঠ গণমাধ্যম হিসেবে সংবাদ পরিবেশনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা

ক্লিক করুন

Breaking News

Home Top Ad

নিউজের উপরে বিজ্ঞাপন

Sunday, 7 July 2019

এখন সময় এসেছে ভিক্ষুকমুক্ত রাজশাহী গড়ার- জেলা প্রশাসক। একুশে মিডিয়া


ডাঃ মোঃ হাফিজুর রহমান (পান্না), রাজশাহী:>>>
জেলা প্রশাসক মো হামিদুল হক বলেছেন, ‘আপনারা এক হাত বাড়িয়ে দিলে আমি দুই হাত বাড়িয়ে দিব। স্ব-স্ব জায়গা থেকে মাদক ও দূর্নীতি প্রতিরোধ করতে হবে। এখন সময় এসেছে ভিক্ষুকমুক্ত রাজশাহী গড়ার’। বোরবার দুপুরে তিনি পবা উপজেলা প্রশাসনের আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় এসব কথা বলেন।
দুর্নীতি কেন করবেন এমন প্রশ্ন ছুড়ে তিনি বলেন, ‘দুর্নীতি একটি কালচার। দুর্নীতি না করার জন্য মানসিক পরিবর্তন আনতে হবে। সরকার কর্মকর্তা, কর্মচারিসহ জনপ্রতিনিধিদের বেতন ভাতা বাড়িয়েছেন। দুর্নীতি করে গাড়ি বাড়ির কোন মূল্য নেই। আপনার সন্তানকে সু-শিক্ষা দিন। সম্মান, গাড়ি-বাড়ি এমনিতেই পেয়ে যাবেন। মাদক দুর্নীতিকে আমাদের সকলকে না বলতে হবে’। তিনি উদাহরণ দিয়ে বলেন, ‘কয়েকদিন আগে দুর্নীতির দায়ে একজন বড়কর্মকর্তাকে কারাগারে নেয়া হয়েছে। শুধু তার মান-সম্মানের ক্ষতি হয়েছে এমনটি নয়, তার স্ত্রী, ছেলে মেয়ে, আত্মীয়-স্বজন, প্রতিবেশী সকলের ক্ষতি হয়েছে। এমনকি ওই এলাকা তথা ওই জেলার সুনাম ক্ষুন্ন হচ্ছে। তাই মাদক ও দুর্নীতিকে আমাদের সবাইকে না বলতে হবে।
রাজশাহীকে ভিক্ষুকমুক্ত করার প্রচেষ্টা চলছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রসূতি মায়ের পেটের সন্তানের কথা ভাবেন। জমি আছে বাড়ি নাই-তাদেরকে বাড়ি করে দিচ্ছেন। আগামী চার-পাঁচ বছরের মধ্যে কেহ গৃহহীন থাকবে না। ভিক্ষুকমুক্ত বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় তিনি যখন ব্যক্ত করেছেন, তখন আজ হোক কাল হোক ভিক্ষুকমুক্ত হবেই। আমরা এরই মধ্যে ভিক্ষুক পূনর্বাসনের লক্ষ্যে জেলার কর্মকর্তা-কর্মচারিদের একদিনের বেতনে প্রায় ৫৮ লাখ টাকার তহবিল গড়েছি। আর সমপরিমান টাকার জন্য মন্ত্রনালয়ে পাঠানো হবে।
পাশাপাশি অগামীকাল সোমবার থেকে রাজশাহী রেলস্টেশনে ভিক্ষুক রোধে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হবে। নগরীতে ভিক্ষুক যেন ঢুকতে না পারে সেই ব্যবস্থা করা হবে। বিশেষ করে শুক্রবার জুম্মার মসজিদের কাছে থেকে ভিক্ষুক ধরে নিয়ে আসতে হবে। আমাদের কষ্ট করতে হবে। তাদেরকে বুঝাতে হবে। অন্য পেশায় সংযুক্ত করতে হবে। তাদের সন্তানরা যাতে এ পেশায় না আসতে পারে সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। এভাবে সবায় মিলে চেষ্টা করলে ভিক্ষুক আর থাকবে না’।
তিনি উপজেলা কর্মকর্তা ও জনপ্রতিনিধিদের উদ্দেশ্যে বলেন, পবা উপজেলায় শিক্ষার মান বাড়াতে হবে। খেলাধুলার পরিবেশ সৃষ্টি করতে হবে। প্রধানমন্ত্রীর ১০টি বিশেষ উদ্যোগের বাস্তবায়ন করতে হবে। সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্ঠনীতে দলবল নির্বিশেষে সঠিক প্রাপ্যদার যেন পাই, সেদিকে নজর রাখতে হবে।
পবা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জাহিদ নেওয়াজের সভাপতিত্বে এই মতবিনিময় সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বেগম খায়রুন্নেসা, নওহাটা পৌর মেয়র শেখ মুকবুল হোসেন, মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার কামরুজ্জামান, অধ্যক্ষ আব্দুল খালেক। পবা সহকারি কমিশনার ভুমি নূরুল হাই মোহাম্মাদ আনাছ’র পরিচালনায় বক্তব্য রাখেন যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা সঈদ আলী রেজা, হরিপুর ইউপি’র চেয়ারম্যান বজলে রেজবি আল হাসান মুঞ্জিল, পবা প্রেসক্লাবের সভাপতি কাজী নাজমুল ইসলাম।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলার বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি, মুক্তিযোদ্ধা, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি, ইমাম, শিক্ষক ও গণমাধ্যমকর্মীবৃন্দ।





একুশে মিডিয়া/এমএসএ

No comments:

Post a Comment

নিউজের নীচে। বিজ্ঞাপনের জন্য খালী আছে

Pages