এম এ হাসান, কুমিল্লাঃ
৪টি পুত্র ৩টি কন্যা শিশুর জন্ম দিয়েও মা ডাক শোনা হলো না রেখা আক্তারের।বলতেছিলাম
কুমিল্লা দেবীদ্বার উপজেলার জয়পুর গ্রামের রেখা আক্তার (৩৫) নামের হতভাগ্য জননীর কথা।আজ সোমবার একসাথে ৭ মৃত নবজাতক প্রসব করেন। আজ থেকে প্রায় দশ বছর পূর্বে জয়পুর গ্রামের মোঃ জামাল হোসেনের সাথে বিয়ে হয় রেখার। বিয়ের দশ বছর পর এবারই প্রথম গর্ভধারনী হন রেখা আক্তার। ভাগ্যক্রমে ৪ পুত্র সন্তান ও ৩ কন্যা সন্তান গর্ভে ধারন করেও শিকার হন নিয়তির নির্মম পরিহাসের। নিয়তি এমনই খেলা, অনেক অপেক্ষা ত্যাগ তিতিক্ষার পর সন্তান জন্মদানে সক্ষম হলেও, মা নামের মধুর ডাকটি নিজের শিশুদের মুখ থেকে শুনা হল না রেখার। সোমবার ভোর ৬টায় কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের গাইনী বিভাগীয় প্রধান ডাঃ সুরুজা জাহান নরমাল ডেলিভারীর মাধ্যেমে একের পর এক শিশুগুলি স্বাভাবিক ভাবে ডেলিভারীর কাজ সম্পূর্ন করেন। কিন্তু শত চেষ্টার পরেও শিশুগুলো কে বাঁচানো সম্ভব হল না। গতকাল রবিবার রাত সাড় আটায় দেবীদ্বার শিশু মাতৃ হাপাতালের শিশু ও গাইনী বিভাগীয় ডাঃ শারমীন জাহান নেন্সী প্রাথমিক চেষ্টায় একটি শিশু ডেলিভারী করানো হয়। পর বাকী শিশুগুলি ডেলিভারীর চেষ্টায় ব্যার্থ হয়ে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করেন। রেখার স্বামী মোঃ জামাল হোসেন দুবাই (প্রবাসী) তিনি গত ৯ মাস যাবৎ আরব আমিরাতে রয়েছেন। বর্তমানে রেখা আক্তার স্বাভাবিক ভাবে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসারত রয়েছেন। তবে দীর্ঘদিনের স্বপ্ন পূরণ হতে হতেই নিমিষেই হারিয়ে গেলো সব। না পেয়ে হারানোর ব্যাথা ভুলে থাকা গেলেও পেয়ে হারানোর যন্ত্রণা আর আক্ষেপ কেবল ভুক্তভোগী ছাড়া আর কে বা ততটা বুঝবে।
৪টি পুত্র ৩টি কন্যা শিশুর জন্ম দিয়েও মা ডাক শোনা হলো না রেখা আক্তারের।বলতেছিলাম
কুমিল্লা দেবীদ্বার উপজেলার জয়পুর গ্রামের রেখা আক্তার (৩৫) নামের হতভাগ্য জননীর কথা।আজ সোমবার একসাথে ৭ মৃত নবজাতক প্রসব করেন। আজ থেকে প্রায় দশ বছর পূর্বে জয়পুর গ্রামের মোঃ জামাল হোসেনের সাথে বিয়ে হয় রেখার। বিয়ের দশ বছর পর এবারই প্রথম গর্ভধারনী হন রেখা আক্তার। ভাগ্যক্রমে ৪ পুত্র সন্তান ও ৩ কন্যা সন্তান গর্ভে ধারন করেও শিকার হন নিয়তির নির্মম পরিহাসের। নিয়তি এমনই খেলা, অনেক অপেক্ষা ত্যাগ তিতিক্ষার পর সন্তান জন্মদানে সক্ষম হলেও, মা নামের মধুর ডাকটি নিজের শিশুদের মুখ থেকে শুনা হল না রেখার। সোমবার ভোর ৬টায় কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের গাইনী বিভাগীয় প্রধান ডাঃ সুরুজা জাহান নরমাল ডেলিভারীর মাধ্যেমে একের পর এক শিশুগুলি স্বাভাবিক ভাবে ডেলিভারীর কাজ সম্পূর্ন করেন। কিন্তু শত চেষ্টার পরেও শিশুগুলো কে বাঁচানো সম্ভব হল না। গতকাল রবিবার রাত সাড় আটায় দেবীদ্বার শিশু মাতৃ হাপাতালের শিশু ও গাইনী বিভাগীয় ডাঃ শারমীন জাহান নেন্সী প্রাথমিক চেষ্টায় একটি শিশু ডেলিভারী করানো হয়। পর বাকী শিশুগুলি ডেলিভারীর চেষ্টায় ব্যার্থ হয়ে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করেন। রেখার স্বামী মোঃ জামাল হোসেন দুবাই (প্রবাসী) তিনি গত ৯ মাস যাবৎ আরব আমিরাতে রয়েছেন। বর্তমানে রেখা আক্তার স্বাভাবিক ভাবে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসারত রয়েছেন। তবে দীর্ঘদিনের স্বপ্ন পূরণ হতে হতেই নিমিষেই হারিয়ে গেলো সব। না পেয়ে হারানোর ব্যাথা ভুলে থাকা গেলেও পেয়ে হারানোর যন্ত্রণা আর আক্ষেপ কেবল ভুক্তভোগী ছাড়া আর কে বা ততটা বুঝবে।




No comments:
Post a Comment