![]() |
একুশে মিডিয়া, চট্টগ্রাম রিপোর্ট:
চট্টগ্রাম উত্তর জেলাধীন হাটহাজারী ফরহাদাবাদ ইউনিয়নের সোনাই ত্রিপুরা পল্লিটিতে কোন নাগরিক সুযোগ-সুবিধা নেই।।”।
ত্রিপুরা পল্লিটিতে মোট ৫২ পরিবারের বসবাস। ৩শ ৭০ জন বাসিন্দা রয়েছেন ত্রিপুরা পল্লিটিতে।।”।
হাটহাজারী উপজেলা সদর থেকে প্রায় ১০/১২ কিলোমিটার দূরে হওয়ায় কোন নাগরিক সুবিধা পাচ্ছেন না ওই পল্লির বাসিন্দারা।।”।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, উপজেলার এক নম্বর ফরহাদাবাদ ইউনিয়নের দুই নম্বর ওয়ার্ডের পশ্চিমে পাহাড়ি এলাকায় অবস্থান সোনাই ত্রিপুরা পল্লির।।”।
এ পল্লির বাসিন্দাদের অভিযোগ, কোনো রকম নাগরিক সুযোগ-সুবিধা মেলে না এখানে।।”।
কথা হয় ওই পল্লির তাকিধন ত্রিপুরার সাথে। তিনি বলেন, আমাদের এই ত্রিপুরা পল্লিতে মোট ৫২ পরিবারের বসবাস।।”।
এখানে নেই কোনো বিশুদ্ধ পানির ব্যবস্থা। যে মাত্র দুটি টিউবওয়েল রয়েছে, তার মধ্যে একটি নষ্ট। আরেকটি কোন রকম তালিজোড়া দিয়ে চলছে।।”।
এই পল্লিটির বেশ কয়েকজন বাসিন্দার সাথে কথা বলে জানা যায়, চিকিৎসার বিষয়ে সচেতন নয় তারা।।”।
ফরহাদাবাদ ইউনিয়নে একটি কমিউনিটি ক্লিনিক থাকলেও সেটি পল্লি থেকে প্রায় ২ কিলোমিটার দূরে।।”।
ক্লিনিকের স্বাস্থ্য কর্মীরা মাঝে মধ্যে আসলেও তেমন প্রচারণা না থাকায় প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সেবা নিতে চান না ত্রিপুরা পল্লির বাসিন্দারা।।”।
পাহাড়ের পাশে দুর্গম এলাকা হওয়ায় সরকারি বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত ওই পল্লির বাসিন্দারা।।”।
তাদের মধ্যে সবাই পাহাড়ে জুম চাষ ও কৃষি কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করে। গত ৬-৭ দিন থেকে ওই এলাকায় মহামারি সৃষ্টি হলেও স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বা ওই ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য ত্রিপুরা পল্লির বাসিন্দাদের খোঁজ খবর নেননি বলে অভিযোগ করেন অজান্তি ত্রিপুরা (৬৫), সাম কুমার ত্রিপুরা, শান্তি রাম ত্রিপুরাসহ অনেকের।।”।
এ ব্যাপারে ফরহাদাবাদ ইউপি চেয়ারম্যান ইদ্রিস মিয়া তালুকদারকে মুঠোফোনে পাওয়া যায়নি।।”।
তবে তিন নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি মেম্বর সিরাজুল ইসলাম বলেন, আমি খবর পেয়ে ত্রিপুরা পল্লিতে গিয়ে বাসিন্দাদের সাথে কথা বলেছি এবং বিভিন্ন রকম সাহায্য করার জন্য ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানকে বলেছি।।”।
হাটহাজারী উপজেলা নির্বাহী অফিসার আক্তার উন নেছা শিউলী বলেন, অজ্ঞাত রোগে ৪ শিশু নিহত হওয়ার পর পর আমি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নিয়ে এলাকাটি পরিদর্শন করেছি।।”।
উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় সাহায্য দেওয়ার ব্যবস্থা করেছি এবং কয়েকদিনের মধ্যে ত্রিপুরা পল্লিতে একটি গভীর নলকূপ স্থাপনের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। একুশে মিডিয়া।”।




No comments:
Post a Comment