![]() |
| আহত স্কুল ছাত্র হাসপাতালে চিকিৎসা পত্র ও ভাংচুরের দৃস্য |
একুশে মিডিয়া, চট্টগ্রাম রিপোর্ট:
বাঁশখালীর চাম্বল ইউনিয়নের পশ্চিম চাম্বল সিন্ধিপাড়া গ্রামে গত শুক্রবার রাত ১১টায় মামলা করার প্রতিবাদে আসামীপক্ষের হামলায় বাদি পক্ষের এক স্কুল ছাত্র আহত হয়েছে। ওই সময় বাদি পক্ষের বাড়ির টিন দ্বারা করা সীমানা প্রাচীরও ভাংচূর হয়েছে। রাতের বেলা অর্তকিত সন্ত্রাসীদের লাটি পেটা এবং ইট-পাটকেল ছুঁড়ে মারার ঘটনায় ডাকাত আতংক ছড়িয়ে পড়েছিল। ইটের আঘাতে আহত সাইফুল ইসলাম(১৪) সরোয়ার আলমের পুত্র। সে চাম্বল উচ্চ বিদ্যালয়ের ৭ম শ্রেণির ছাত্র। তাকে বাঁশখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেয়ার পর বাড়ি নিয়ে যাওয়া হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, চাম্বল ইউনিয়নের পশ্চিম চাম্বল সিন্ধিপাড়া গ্রামের সরোয়ার আলম গ্রুপ ও মো. জাহাঙ্গীর আলম মনু গ্রুপের সাথে বসতভিটা নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল। এই নিয়ে সরোয়ার আলমের বোন রুবি আক্তার বাদি হয়ে গত ৫ মে চট্টগ্রামের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে ফৌজদারী কার্যবিধির ১৪৫ ধারা মোতাবেক মামলা দায়ের করেন। ওই মামলায় মো. জাহাঙ্গীর আলম মনু গ্রুপের ১৬ জনকে আসামী করা হয়। ওই সময় বাদি রুবি আক্তারের ভাই সরোয়ার আলমসহ অন্যরা বিদেশে ছিলেন। বিদেশ থেকে ফিরে আসায় আসামি পক্ষ ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে সরোয়ার গ্রুপের ওপর। বোন দিয়ে কেন মামলা করিয়েছে তা নিয়ে প্রতিবাদ করে। গ্রামে কয়েকদফা শালিসী বৈঠকও হয়। ওই বৈঠকেও নিস্পত্তি না হওয়ায় গত গত শুক্রবার রাত ১১টায় আসামি পক্ষের লোকজন বাদি পক্ষের বাড়িতে হামলা করে।
সরোয়ার আলম বলেন, জাহাঙ্গীর আলম মনু গ্রুপের লোকজন কোন সম্পত্তি পাবেন না। আমরা তাদের জোরজবরদস্তিতে বাধ্য হয়ে চট্টগ্রামের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে মামলা করেছি। মামলা করার পর থেকে নানাভাবে হুমকি ধমকি দিয়ে আসছে। সর্বশেষ গত শুক্রবার রাতে হামলা করেছে। বাড়ির সীমানা প্রাচীর ভেংগে দিয়েছে। আমার ছেলেকে ইট ছুঁড়ে মেরে আহত করেছে।
জাহাঙ্গীর আলম মনু একুশে মিডিয়াকে বলেন, আমরা কোন ধরণের হামলা করিনি। আমরা স্থায়ী সমাধান চায়।
বাঁশখালী থানার কর্তব্যরত কর্মকর্তা পি এস আই মো. মোজাম্মেল খান বলেন, সরোয়ার আলম নামের এক ব্যক্তি মৌখিকভাবে ঘটনা জানিয়েছেন। তবে লিখিত অভিযোগ দেননি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।




No comments:
Post a Comment