উত্তেজনায় থেমে গেল ‎বাঁশখালী আইনজীবী নির্বাচন - একুশে মিডিয়া একটি স্বাধীন, নিরপেক্ষ ও বস্তুনিষ্ঠ গণমাধ্যম হিসেবে সংবাদ পরিবেশনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা

ক্লিক করুন

Breaking News

Home Top Ad

নিউজের উপরে বিজ্ঞাপন

Monday, 20 April 2026

উত্তেজনায় থেমে গেল ‎বাঁশখালী আইনজীবী নির্বাচন

একুশে মিডিয়া, নিজস্ব প্রতিবেদক:

চট্টগ্রামের বাঁশখালী আদালত ভবনে অনুষ্ঠিতব্য আইনজীবী সমিতির নির্বাচন ঘিরে পরস্পরবিরোধী বিজ্ঞপ্তি, হট্টগোল বিশৃঙ্খলার কারণে ভোটগ্রহণ শুরু হওয়ার এক ঘণ্টার মধ্যেই বন্ধ হয়ে যায়। সোমবার (২০ এপ্রিল) দুপুর ১২টায় ভোটগ্রহণ শুরু হলেও প্রায় ১টার দিকে কেন্দ্রজুড়ে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এবং হট্টগোলের মধ্যে ভোটগ্রহণ বন্ধ করা হয়। পরবর্তীতে নির্ধারিত সময় বিকাল ৪টা পর্যন্ত আর ভোটগ্রহণ শুরু হয়নি।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ভোটগ্রহণ চলাকালে দফায় দফায় উত্তেজনা বাকবিতণ্ডার ঘটনা ঘটে, যা একপর্যায়ে ব্যাপক হট্টগোলে রূপ নেয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সংশ্লিষ্টরা চেষ্টা চালালেও শেষ পর্যন্ত ভোটগ্রহণ আর হয়নি। বিকাল ৪টায় নির্ধারিত সময় শেষ হলেও নির্বাচন কমিশনের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা কোনো ফলাফল ঘোষণা না করেই কেন্দ্র ত্যাগ করেন।

দিনব্যাপী নির্বাচনকে ঘিরে আদালত প্রাঙ্গণে স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তা, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা-কর্মী আইনজীবীদের ব্যাপক উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়, যা পুরো পরিবেশকে সরগরম করে তোলে।

এর আগে নির্বাচনকে কেন্দ্র করে প্রকাশিত পরস্পরবিরোধী বিজ্ঞপ্তিতে আইনজীবীদের মধ্যে চরম বিভ্রান্তির সৃষ্টি হয়। ১৯ এপ্রিল এডহক কমিটির সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট মো. বোরহান উদ্দিন মাতব্বার নূরীর স্বাক্ষরে এক জরুরি নোটিশে নির্বাচন কমিশনের কিছু কার্যক্রম নিয়ে আপত্তি জানিয়ে ২০ এপ্রিলের নির্বাচনসহ সব কার্যক্রম বাতিল ঘোষণা করা হয়।

তবে একই দিনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার অ্যাডভোকেট দিলীপ কান্তি সুশীলের স্বাক্ষরে পৃথক আরেক বিজ্ঞপ্তিতে পূর্বনির্ধারিত সময়েই নির্বাচন অনুষ্ঠানের ঘোষণা দেওয়া হয় এবং বিভ্রান্তিকর প্রচারণায় কান না দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়।

পরবর্তীতে এডহক কমিটির আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট দিলীপ কুমার দাশসহ অন্যান্য সদস্যদের স্বাক্ষরিত আরেক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, নির্বাচন কমিশন গঠনের পর নির্বাচন সংক্রান্ত বিষয়ে এডহক কমিটির হস্তক্ষেপের সুযোগ নেই এবং সদস্য সচিবের একক সিদ্ধান্তে জারি করা নোটিশ বিভ্রান্তিমূলক।

উল্লেখ্য, গত ১৬ এপ্রিল নির্বাচন কমিশনের এক বিজ্ঞপ্তিতে সভাপতি পদে একমাত্র প্রার্থী হিসেবে মোহাম্মদ নাছেরকে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত ঘোষণা করা হয়। তবে ঘোষণাকে কেন্দ্র করে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী তার মনোনয়নপত্র বাতিলের সিদ্ধান্ত নিয়ে বিভিন্ন অভিযোগ তোলেন। তিনি দাবি করেন, তার মনোনয়ন বাতিল করা হলে একই ধরনের কারণে আরও দুই প্রার্থীর মনোনয়নও বাতিল হওয়া উচিত ছিল। নিয়ে নির্বাচনকেন্দ্রে উত্তেজনা আরও বেড়ে যায় বলে সংশ্লিষ্টরা জানান।

সংশ্লিষ্ট আইনজীবীরা বলছেন, এডহক কমিটি নির্বাচন কমিশনের মধ্যে সমন্বয়হীনতা এবং পরস্পরবিরোধী অবস্থানের কারণেই পুরো নির্বাচন প্রক্রিয়া প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে পড়েছে। দ্রুত সুনির্দিষ্ট সিদ্ধান্ত সমাধান না এলে সংকট আরও গভীর হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

No comments:

Post a Comment

নিউজের নীচে। বিজ্ঞাপনের জন্য খালী আছে

Pages