![]() |
একুশে মিডিয়া, চট্টগ্রাম রিপোর্ট:
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে মারধরেরে শিকার হন আলোকিত বাংলাদেশ চবি প্রতিনিধি তুহিন।।”।
এক শিক্ষার্থীকে অন্যায়ভাবে র্যাগ দিতে দেখে বাধা দেয়ায় মিনহাজুল ইসলাম তুহিন নামে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্তব্যরত এক সাংবাদিককে মারধর করেছে শাখা ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা।।”।
আজ সোমবার (১০ সেপ্টেম্বর) দুপুর দেড়টায় ক্যাম্পাস থেকে ছেড়ে আসা শাটল ট্রেনে এ ঘটনা ঘটে। মারধরের শিকার মিনহাজুল ইসলাম তুহিন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির (চবিসাস) সদস্য ও আলোকিত বাংলাদেশের চবি প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছেন।।”।
তুহিনের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. শুভাশীষ চৌধুরী বলেন, মারধরের ফলে তুহিনের কানে আঘাত প্রাপ্ত হয়েছে।।”।
মারধরের শিকার মিনহাজুল ইমলাম তুহিন একুশে মিডিয়াকে বলেন, ছাত্রলীগের ৪-৫ জন কর্মী এক শিক্ষার্থীকে হেনস্থা করতে দেখে আমি তাদেরকে নিষেধ করি। তখন তারা আমাকেও মারধর করে বিষয়টি নিয়ে আমার সংগঠন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির মাধ্যমে একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছি। তুহিন আরো বলেন, ইংরেজি বিভাগের ২০১৩-১৪ সেশনের মাহমুদুল হাসান রুপক, মার্কেটিং বিভাগের ২০১৭-১৮ সেশনের মাহিন হোসেন, ইতিহাস বিভাগ ২০১৬-১৭ সেশনের রাজীবুল আলম,ইংরেজি বিভাগের ২০১৬-১৭ সেশনের আলী তানভীর মিলে আমাকে মারধর করে।।”।
ঘটনার বিষয়ে জানতে চাইলে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় প্রক্টর আলী আজগর চৌধুরী একুশে মিডিয়াকে বলেন, গত কয়েকদিন ধরে ছাত্র নামধারী কয়েকজন সন্ত্রাসী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ নষ্ট করছে। আমরা তাদেরকে সনাক্ত করার চেষ্টা করছি। খুব দ্রুত সময়ের মধ্যে তাদের বিরুদ্ধে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রচলিত আইনে ব্যবস্থা নিব। তুহিনকে মারধরের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, বিষয়টি নিয়ে আমাকে লিখিত ভাবে অভিযোগ করা হয়েছে। ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে খুব দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।।”।
ঘটনার বিষয়ে জানতে চাইলে শাখা ছাত্রলীগের সাবেক সদস্য মাহমুদুল হাসান রুপক বলেন, যে ঘটনাটি ঘটেছে এটি একটি অনাকাঙ্কিত ঘটনা। আমি এর জন্য দুঃখ প্রকাশ করছি।।”।
এদিকে সাংবাদিক মারধরের ঘটনা তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতি (চবিসাস)। সোমবার দুপুরে এক জরুরী সভায় সমিতির সভাপতি সৈয়দ বাইজিদ ইমন ও সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল ফয়সাল উদ্বেগ জানিয়ে বলেন, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে সাংবাদিকদের হুমকি, মারধরসহ নির্যাতনের ঘটনা বেড়েই চলছে। এটি মুক্ত সাংবাদিকতার পরিপন্থী বলে আমরা মনে করি। তাই এসব ঘটনায় বন্ধে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নেওয়ার দাবিও জানান সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ। একুশে মিডিয়া।”।




No comments:
Post a Comment