কণ্ঠশিল্পী শাপলা পাল বাংলা আর বাঙালির প্রতিনিধিত্ব করতে চান বিশ্বময়-একুশে মিডিয়া - একুশে মিডিয়া একটি স্বাধীন, নিরপেক্ষ ও বস্তুনিষ্ঠ গণমাধ্যম হিসেবে সংবাদ পরিবেশনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা

ক্লিক করুন

Breaking News

Home Top Ad

নিউজের উপরে বিজ্ঞাপন

Sunday, 9 September 2018

কণ্ঠশিল্পী শাপলা পাল বাংলা আর বাঙালির প্রতিনিধিত্ব করতে চান বিশ্বময়-একুশে মিডিয়া


একুশে মিডিয়া,  বিশেষ বিনোদন রিপোর্ট:
আঁধার রাতের আলো তুমি শোকের মাঝে শক্তি অনেক বড় হবেই তুমি করবে সবাই ভক্তি। পনেরো আগস্ট কান্দে জাতি বাংলায় নামে কালো সেদিন তুমি ধরায় এলে নিয়ে সুরের আলো। পনেরই আগস্ট বাঙালি জাতির ইতিহাসে একটি কালো অধ্যায় রচনার দিন। বাঙালি জাতি সেদিন হারিয়েছে তাদের কর্ণধারকে।।”।

জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান মহান স্বাধীনতার স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে পঁচাত্তরের পনেরই আগস্ট হত্যা করা হয় সপরিবারে।
তার চৌদ্দ বছর পর একই দিবসে যদি কারো জন্ম হয়, আর তার জন্য যদি উপরোক্ত ছন্দিত আশীর্বাদ থাকে সে তো জীবন চলার পথে সাফল্য অর্জন করবেই। কেবল জন্মই নয় একটা জাতির জাতীয় ফুলের নামে যদি হয় তার নাম, তাকে তো বলতে হবে ভাগ্যবতী।।”।

বলছিলাম চট্টগ্রামের মেয়ে আধুনিক বাংলা গানের মিষ্টি ও সুরেলা কণ্ঠ শাপলা পাল-এর কথা। তাঁর জন্ম ১৯৮৮ সালের ১৫ আগস্ট। বর্তমান সময়ে বাংলা গানে যে ক’জন শিল্পী দাপটের সাথে প্রতিভার স্বাক্ষর রেখে চলেছেন তার মধ্যে উজ্জ্বল একটি নাম শাপলা পাল। সবার কাছে তিনি শাপলা নামেই পরিচিত। মেধাবী এই গুণি শিল্পীর প্রাতিষ্ঠানিক যোগ্যতাও রয়েছে সর্বোচ্চ।।”।

২০১৪ সালে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় অধিভুক্ত চট্টগ্রামের নাসিরাবাদ সরকারি মহিলা কলেজ থেকে অর্থনীতিতে এম.এস পরীক্ষায় প্রথম শ্রেণীতে উত্তীর্ণ হয়েছেন। অনার্স সম্পন্ন করেন একই কলেজ থেকে। ফলাফল সেখানেও প্রথম শ্রেণী। এসএসসি ও এইচএসসিতেও তার ফলাফল ঈর্ষনীয়।।”।

শিশু বয়স থেকেই লেগে আছেন সংগীতের সাথে। বিচরণ করছেন এর নানা শাখায়। বর্তমানে নিজের নামটির যথাযথ মূল্যায়ন করে চলেছেন আগামীর পথে। জনপ্রিয় শিল্পী হিসেবে খ্যতি অর্জন ক্রমান্বয়ে জমা হচ্ছে নিজের ঝুলিতে।

রাসেল সৃতি সংসদ, বঙ্গবন্ধু শিশু পুরস্কার, চট্টগ্রাম সিটি করপোরেসন পুরস্কার, নবীন মেলা পুরুস্কার, জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ বিভাগীয় পর্যায়ে চ্যাম্পিয়ন (নজরুল ও দেশত্ববোধক গান) পুরুস্কার তার সংগীত চর্চার মাত্রা বৃদ্ধি করেছে অনায়াশেই। নজরুল সংগীতের প্রতি রয়েছে তার বিশেষ টান।
নজরুলের গান নিয়ে কাজ করার স্বপ্ন্ও তিনি লালন করেন হৃদয়ে। শাপলা পাল সংগীত সাধনার মাধ্যমেই সাফল্যের চূড়া জয়ের স্বপ্ন দেখেন।।”।

চট্টগ্রাম থেকে চ্যানেল আই সেরা কণ্ঠ ২০১৪ প্রতিযোগিতায় অংশ গ্রহনের মাধ্যমে বোদ্ধাদের নজড়ে আসেন। প্রতিটি পর্বে নিজেকে তুলে ধরেছেন সেরাটুকু দিয়ে। বিচারকদের রায়ে তার নাম লিখা হয় ‘চ্যানেল আই সেরা কণ্ঠ ২০১৪’ এর পনেরোতে।।”।

সারা দেশের অংশগ্রহনকারী প্রতিযোগিদের ভিড় থেকেই সংগীতের আলো বিলিয়ে যাচ্ছেন দেশে-বিদেশে। চট্টগ্রামের মিষ্টি ও সুরেলা কণ্ঠের মেয়ে শাপলার পিতার নাম বিমল পাল। তিনি পরলোক গমন করায় পারিবারিক অনেক দায়িত্বও পরে তার কাঁধে।।”।

সব কিছুকে সামাল দিয়ে সংগীতের মতো কঠিন মাধ্যমটি নিয়ে শাপলা ছুটছেন সুপ্ত প্রতিভার স্বাক্ষর রেখে। শাপলার মা একজন সুগৃহিনী। নাম তাঁর সঞ্জু পাল। একমাত্র ছোট ভাই রাসেল পাল এখনো অধ্যয়নরত। অনার্স পড়ার পাশাপাশি রাসেল একটি ইভেন্ট কোম্পানিও পরিচালনা করছে। শাপলা পাল-এর স্বামী অর্জিত চৌধুরী পেশায় প্রাইভেট একটি কোম্পনীর উর্ধতন কর্মকর্তা হলেও নেশায় তিনি একজন ফটোগ্রাফার।।”।

শাপলাকে মায়ের পাশাপাশি তিনিও সংগীত চর্চায় উৎসাহদানকারী হিসেবে ধন্যবাদটা তার প্রাপ্তি। পশ্চিমা বিশ্ব বা আকাশ সংস্কৃতির সাথে শাপলার পরিচিতি থাকলেও নিজের বাঙালিয়ানাকে লালন করেন মন ও মননে। বাঙালি যে কোন খাবারই তার প্রিয়।

সেলোয়ার কামিজ, শাড়ি, ফতুয়া রয়েছে তার পছন্দের পোশাকে। নীল আর কালোর সমন্বয়ে সাজান নিজের ভুবন। তার প্রিয় মানুষ বলতে তিনি তার বাবাকেই বুঝেন। শাপলার অবসর কাটে গান শুনে, বই পড়ে আর ঘুরে। তার প্রিয় গান আর শিল্পির তালিকাটি দীর্ঘ।
তবে এর মধ্যে উল্লেখযোগ্যরা হচ্ছেন- হৈমন্তী শুক্লা, লতা মুখার্জী, মিতালী, সাবিনা ইয়াসমি, রুনা লায়লা। অসাধারণ প্রতিভা আর মেধার অধিকারী শাপলার জীবর যাপন অতি সাধারন। সবার সাথে মিলে মিশে থাকার মাঝে তিনি অনেক সুখ খুজে পান। শাপলা হাসতে যেমন ভালোবাসেন তেমনি অন্যদের হাসিয়েও মজা পান।।”।

বর্তমান সাফল্যের ধারবাহিতায় ভবিষ্যত নামক তরীটিও বাইতে চান গানে গানে। টেলিভিশন, বেতার আর স্টেজ শো এর পাশাপাশি সিনেমার গানে কণ্ঠদানের প্রতি রয়েছে তার দুর্বলতা। সুখ-দুঃখের মাঝেও শাপলা মনে করেন দর্শকদের গান গেয়ে আনন্দ দিতে পারার সুখটাই চিরঞ্জীব।।”।

দেশের বাইরে সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া ও ভারতেও গান পরিবেশন করে বাহবা পেয়েছেন দর্শকদের। একুশে টিভি, বৈশাখী টিভি, মোহনা টিভি, চ্যানেল আই এর লাইভ শোদেও গান গেয়েছেন। শাপলার হাতেখরি মা’র কাছে হলেও তালিম নিয়েছেন অনেকের কাছে। তার মধ্যে রাখাল নন্দী, রাজেশ সাহা, আব্দুর রহিম এর নামে তিনি আন্তরিকতা ও শ্রদ্ধার সাথে স্বীকার করেন।।”।

সুরবন্ধু অশোক চোধুরী (চট্টগ্রাম), সুজিত মোস্তফা (ঢাকা) এর কাছে এখনো তালিম নিচ্ছেন। সকল সাফল্যের পাশাপাশি তার “মনের সীমানায়” গানটি ইউটিউব এবং ফেসবুক এ ব্যাপক সাড়া জাগায়। সামাজিত যোগাযোগের মাধ্যমে শাপলা নামটি অতিসহজে পৌঁছে যায় বিশ্বের সকল বাঙালির কাছে।।”।

এ ছাড়াও ভালোবাসা দিবসে কাজী নওরিন এর টিউনে “অজানা ভালোবাসা” এ্যালবামে দুইটা গানের শিল্পি তিনি। এ্যালবামটি লেজার ভিশনের ব্যানারে বাজারে আসে।।”।
ইয়াং স্টার হাসনাত তুষার এর কম্পোজিশনে “তুষার- দি মিক্স” এ্যালবামে এ কাজ করছেন, রমজানের ঈদে এ্যালবামটি রিলিজ হবার সম্ভাবনা রয়েছে। শাপলার স্বপ্ন বাংলা আর বাঙালিয়না নিয়েই। তিনি বাংলা আর বাঙালির প্রতিনিধিত্ব করতে চান বিশ্বময়।।”।

০১. নাম? ০২. ডাক নাম? ০৩. লেখাপড়া?(SSC o HSC) এর রেল্জাট ও প্রতিষ্ঠান সহ। ০৪. শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান? ০৫. বাবার নাম ও পেশা? ০৬. মায়ের নাম ও পেশা ? ০৭ ভাই-বোনের সংখ্যা, নাম ও তাদের পেশা? ০৮. জন্ম সাল, তারিখ, বার ও জন্মস্থান ? ০৯. অনুপ্রেরণা? ১০. ব্যাক্তিত্ব? ১১. যা কিছু প্রিয়- খাবার, পোশাক, রঙ, ব্যাক্তি, গান, অন্য যা প্রিয়? ১২. অবসরে কি করো? ১৩. পুরষ্কার/সম্মাননা/ক্রেস্ট/সনদ এর সংখ্যা ও নাম ? ১৪. আলাদা কোন বৈশিষ্ট্য? ১৫. নিজের সম্পর্কে কিছু বলা..।”।
১৬.ভবিষ্যত স্বপ্ন/ইচ্ছা কি? ১৭. গান করতে গিয়ে কোন মজার স্মৃতির ও দুঃক্ষের স্মৃতি। ১৮. কোথায় কোথায় গান করা হয়েছে?


১। শাপলা পাল
২। শাপলা
৩। SSC- (A) ২০০৪, কুসুম কুমারী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়।
HSC- (A) ২০০৬, হাজেরা তজু ডিগ্রি কলেজ
Honors (Economics), (1st class) 2012, নাসিরাবাদ সরকারি মহিলা কলেজ
MS (Economics) (1st class) 2014, নাসিরাবাদ সরকারি মহিলা কলেজ
৪। নাসিরাবাদ সরকারি মহিলা কলেজ 
৫। মৃত বিমল পাল
৬। সঞ্জু পাল (গৃহিণী)
৭। রাসেল পাল (ছোট ভাই) অনার্স পড়ছে, পাশাপাশি একটি ইভেন্ট কোম্পানি পরিচালনা করছে।
৮। ১৫ আগস্ট ১৯৮৮, চট্টগ্রাম
৯। আমার মা এবং স্বামী 
১০। আমার মা
১১। প্রিয় খাবার- বাঙালি যে কোন খাবার, প্রিয় পোশাক- সেলয়ার কামিজ, শাড়ি, ফতুয়া, প্রিয় রঙ- নীল, কালো। প্রিয় বাক্তি- আমার স্বর্গীয় বাবা, অন্যান্য – গান শুনা, বেড়ানো, বই পড়া। প্রিয় গান- অনেক, শিল্পী – হৈমন্তী শুক্লা, লতা জী, মিতালী, সাবিনা, রুনা ইত্যাদি, আর রাগ প্রধান গান শুনতে এবং করতে বেশি সাছন্দ বোধ করি।।”।
১২। গান শুনা, রান্না করা, পরিবারকে সময় দেওয়া 
১৩। রাসেল সৃতি সংসদ, বঙ্গবন্ধু শিশু পুরস্কার, সিটি করপরেসান পুরস্কার, নবীন মেলা, জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ বিভাগীয় চ্যাম্পিয়ন (নজরুল ও দেশের গান), ইত্যাদি। চ্যানেল আই সেরা কণ্ঠ ২০১৪ এ ১৫ তম স্থান এ ছিলাম।
১৪। টুকটাক লেখা লেখির চেষ্টা করি।
১৫। সাধারন জীবন যাপন করি, সবার সাথে মিলে মিশে থাকার চেস্টা করি, হাসতে চাই এবং অন্যদের ও হাসাতে চাই।
১৬। স্বপ্ন দেখতে কার না ভালো লাগে? ভবিষ্যতে গান নিয়ে থাকতে চাই এবং প্লে ব্যাক করতে চাই।
১৭। দুঃখের সৃতি – সন্দীপ থেকে প্রোগ্রাম করে আসার সময় মনে হয়েছিল এই বুঝি ট্রলার টা ডুবে যাবে।
সুখের সৃতি – দর্শকদের গান গেয়ে আনন্দ দিতে পারাটাই সবসময় সুখের।
১৮। দেশ- দেশের বিভিন্ন জেলাই, একুশে টিভি, বৈশাখী টিভি, মোহনা টিভি, চ্যানেল আই।  
দেশের বাইরে- সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া, ইন্ডিয়া 
১৯। তালিম- হাতেখরি আমার মা’র কাছে, অগ্রণী সংঘ, আরজ সংগীত, শ্রধেয় রাখাল নন্দী, শ্রধেয় রাজেশ সাহা, শ্রধেয় আব্দুর রহিম, বর্তমানে – শ্রধেয় সুরবন্ধু অশোক চোধুরি (চট্টগ্রাম), শ্রধেয় সুজিত মোস্তফা (ঢাকা)। 
নিজের করা “মনের সীমানায়” গানটি ইউটিউব এবং ফেসবুক এ ব্যাপক সাড়া জাগিয়েছে।।”।

ভালোবাসা দিবসে কাজী নওরিন এর টিউনে “অজানা ভালোবাসা” এ্যালবামে দুইটা গান করেছে, এ্যালবামটি লেজার ভিশনের ব্যানারে বাজারে এসেছে।
সম্প্রতি ইয়াং স্টার হাসনাত তুষার এর কম্পোজিশনে “তুষার- দি মিক্স” এ্যালবামে এ কাজ করছে, আশা করছে এ্যালবামটি শ্রোতাদের নতুন কিছু উপহার দিবে।।”।

“স্বপ্নতরী” আহমেদ রাজীব ফিচারিং শাপলা, এপ্রিলে রিলিজের অপেক্ষাই আছে।  ১. গানের প্রেমে পড়লেন কিভাবে
২. সংগীতগুরুদের সম্পর্কে বলুন
৩. ছোটলেবলায় গান নিয়ে কোনো বিশেষ স্মৃতি আছে
৪. গান গেয়ে অর্জন
৫. আপনার অ্যালবাম নিয়ে বলুন
৬. প্রিয় শিল্পী, গীতিকার ও সুরকার কারা
৭. এখন তো অডিও বাজারে মন্দা, গানের প্রচার থাকলেও প্রসার নেই, সে ক্ষেত্রে সংগীতাঙ্গনে প্রতিষ্ঠা পেতে হলে একজন নবীন শিল্পীর করণীয় কি?
৮. চট্টগ্রামের আঞ্চলিক, মাইজভাণ্ডারী, মোহছেন আউলিয়ার গান সারা দেশে বিখ্যাত, কিন্তু চট্টগ্রামের নবীন শিল্পীরা শেকড়ের গান নিয়ে তেমন আগ্রহী বলে মনে হয় না, আপনি কী বলেন
৯. চট্টগ্রামে আধূনিক ও ব্যান্ড সংগীতের সমুজ্জ্বল ঐতিহ্যের মুল কারণ, এখানে বিয়ে বাড়ি বা মেহেদী অনুষ্ঠান। চট্টগ্রামে মেহেদী অনুষ্ঠানে গান গেয়ে ঢাকায় গিয়ে অনেকে নামজাদা হয়েছেন। কিন্তু ইদানিং চট্টগ্রামের শিল্পীরা মেহেদী অনুষ্ঠানকে এড়িয়ে চলে। আপনার ধারণা কি?
১০.সংগীত নিয়ে আপনার স্বপ্ন বা ভবিষ্যতে পরিকল্পনা কি?
প্রশ্নগুলোর উত্তর আমার মেইলে দিয়েন প্লিজ, আর কিছু ভালো ছবি, বড় ছবি

১। গানের হাতেখড়ি মায়ের হাতে, মা গান করতেন তাই প্রথমে উনার গানের প্রেমে পরি
২। তালিম/হাতেখড়ি আমার মা’র কাছে, এরপর অগ্রণী সংঘ, আর্য সংগীত এ শিখলাম, তারপর শ্রধ্যেয় রাখাল নন্দী স্যার, শ্রধ্যেয় রাজেশ সাহা স্যার, শ্রধ্যেয় আব্দুর রহিম স্যার এবং শ্রধ্যেয় সুরবন্ধু অশোক চৌধুরী স্যার এর কাছে তালিম নিলাম, এখন ঢাকাতে শ্রধ্যেয় সুজিত মোস্তফা স্যার এর কাছে তালিম নিচ্ছি। আর শ্রধ্যেয় রিচার্ড কিশোর স্যার এর কাছে গীটারের তালিম নিচ্ছি।
৩। সিটি কর্পোরেশনের প্রোগ্রামে গিয়ে চেয়ারের উপর দাড়িয়ে গান করেছিলাম শিশু শিল্পী হিসেবে, আর সেটা এখন ভেবে সত্যি হাসি পাই।।”।
৪। রাসেল সৃতি সংসদ, বঙ্গবন্ধু শিশু পুরস্কার, সিটি কর্পোরেশন পুরস্কার, মেয়র স্বর্ণ পদক, নবীন মেলা, জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ বিভাগীয় চ্যাম্পিয়ন (নজরুল ও দেশের গান) ইত্যাদি। এবং চ্যানেল আই সেরা কণ্ঠ ২০১৪ এ ১৫ তম স্থান এ ছিলাম।।”।

৫। সম্প্রতি আমার প্রথম একক এ্যালবাম “স্বপ্নতরী” বাজারে এসেছে, এ্যালবামের কথা ও সুর করেছে আমার শ্রদ্ধাভাজন বড় ভাই- আহমেদ রাজীব। ঐক্যতানের ব্যানারে এ্যালবামটির ডিজিটাল ডিস্ট্রিবিউশানের কাজ করছে প্রোটিউন বিডি। এ্যালবামটা নিয়ে আমি খুব আশাবাদী, কারন প্রতিটি গানের সাথে আমার ভালোবাসা জড়িয়ে আছে, আছে অক্লান্ত পরিশ্রম। এ্যালবামটি ইতিমধ্যে জিপি মিউজিকের নিউ এন্ড ট্রেন্ডিং এ অনেক গুণী শিল্পীদের এ্যালবামের মাঝে জায়গা করে নিয়েছে, এবং ওয়ার্ল্ডওয়াইড এপল মিউজিকের আই-টিউন্সে পাওয়া যাচ্ছে। এই এ্যালবাম নিয়ে খুব ভালো সাড়া ও পাচ্ছি। এ্যালবামটি করার পিছনে যার অবদান সবচেয়ে বেশী, তিনি হচ্ছেন আমার স্বামী। ।”।
এছাড়া ও এর আগে তিনটা মিক্সড এ্যালবামে গান করেছি।
৬। সাবিনা ম্যাম ও রুনা ম্যাম এর গান শুনে বড় হলাম, এছাড়া লতাজী, হৈমন্তী শুক্লা, আরতি মুখোপাধ্যায়, সন্ধ্যা, মিতালী, মান্না দে, সুবীর নন্দী, অঞ্জন দত্ত, জটিলেসশর মুখোপাধ্যায়, কৌশিকি দেশিকান্ত, অজয় চক্রবর্তী এবং প্রায় সব শিল্পীর গানই শুনা হয়, আর এখন আমাদের মত নিউ জেনারেশনের গানতো শুনি ই।।”।
গীতিকারদের মধ্যে আহমেদ ইমতিয়াজ বুলবুল, আবু হেনা মোস্তাফা কামাল, ভুপেন হাজারীকা, গৌরীপ্রশ্যন্ন মজুমদার ইত্যাদি।
সুরকারদের মধ্যে সত্য সাহা, আলাউদ্দিন আলি, শ্যামল মিত্র ইত্যাদি। ।”।

৭। অডিও বাজার মন্দা, গানের প্রসার নেই এ সব ই ঠিক আছে, কিন্তু কাওকে না কাওকে তো এগিয়ে আসতে হবে এবং সেই এগিয়ে আসাটাই আমি কেন নই? আমি এবং আমাদের মত শিল্পীদের অবশ্যই এগিয়ে আসতে হবে। আমি ভালো কাজ করে গেলে এটার ফিডব্যাক একদিন আসবেই, এটাই আমার বিশ্বাস।
৮। শিকড়ের টানে একদিন সবাইকে আসতে হবে, আমি এখনো স্টেইজে এবং টিভি লাইভে এই গানগুলো করার চেষ্টা করি। ভালো কথা এবং সুর পেলে আমি এবং আমার মত নবীন শিল্পীরা এইধরনের গান করবে সামনে।।”।


৯। চট্টগ্রামের অনেক শিল্পীরাই ঢাকা মুখী, সবাই চাই একটা ভালো প্লেটফ্রম, কিন্তু বিয়ে বাড়ী আর মেহেদী তে গান করতে চাইনা এটা ভুল কথা, ভালো পরিবেশ পেলে শিল্পীরা সব জায়গাতেই কাজ করে এবং করবে। এবং পরিবেশটাও আমাদের নিজেদের তৈরি করে নিতে হবে, আশা করি সবখানে সুস্থ পরিবেশ ফিরে আসবে।।”।

১০। গান নিয়ে ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা তো অনেক, এভাবে ভালো গান নিয়ে সুস্থ ধারার গান নিয়ে এগিয়ে যেতে চাই আর সামনে ভারতের মুম্বাই থেকে ও এ্যালবাম বের করার পরিকল্পনা আছে। এবং একটি গানের স্কুল করার ইচ্ছা আছে, যেখানে সুবিধা বঞ্চিত শিশুরা গান শিখবে। একুশে মিডিয়া।”।

No comments:

Post a Comment

নিউজের নীচে। বিজ্ঞাপনের জন্য খালী আছে

Pages