![]() |
একুশে মিডিয়া, এম এ হাসান, কুমিল্লা:
আইয়্যামে জাহিলিয়া যুগের সেই মর্মাহত ঘটনার ইতিহাস সকলের ই অবগত, কন্যা সন্তান কে জীবন্ত ফুতে পেলার মত ই অনরুপ ঘটনার জন্ম হল রাস্তার পাশে ঝোপের ভিতর নবজাতকের মুখে কস্টেপ পেছানো অবস্থায় রেখে অজ্ঞাত জন্মদাতা পিতা/মাতা উদাও।।”।
রাস্তায় পাশ দিয়ে যাওয়া মেহেদী হাসান নামের এক প্রথিক নবজাতকের ওয়াও ওয়াও কান্নার শব্দ শুনতে পেয়ে স্থানীয় লোকজন এবং পুলিশ প্রশাসন এর মাধ্যমে শিশুটি কে উদ্ধার করে।সেই প্রথম কান্নার আওয়াজ শুনা ব্যক্তি মেহেদী হোসেন স্ত্রী জুহুরা বেগম কোলে তুলে নিলেন অজ্ঞাত নবজাতক কন্যা শিশুটিকে।শুক্রবার ৭ই সেপ্টেম্বর কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় নবজাতকের পাশেই দেখা গেলো জুহুরা বেগম কে।এসময় তিনি জানান আমার স্বামী কে বলছি এই শিশুটির সকল দায়িত্ব আমরা ই নেব।।”।
উল্লেখ্য কুমিল্লা-নোয়াখালী আঞ্চলিক মহাসড়কের পাশে লাকসাম ভাটিয়াভিটা এলাকার মেহেদী হোসেন বৃহস্পতিবার সকাল ৮টার দিকে ওই সড়ক দিয়ে বাজারে যাওয়ার সময় রাস্তার পাশের একটি ঝোপ থেকে শিশুর কান্নার আওয়াজ শুনতে পায়। এরপর পাশের ঝোপের ভিতর শিশুটিকে দেখতে পেয়ে স্থানীয় লোকজনকে খবর দেয়।।”।
এ সময় ওই শিশুটির নাকে কসটেপ এবং শিশুটির হাতে পায়ে পিপিলিকা ও পোকামাকড়ের কামড়ের রক্তাক্ত চিহৃ ছিলো। ধারনা করা হচ্ছে রাতের আধারে কে বা কাহারা সদ্য ভূমিষ্ঠ ওই শিশু কন্যাটিকে ঝোপের ভিতর ফেলে রেখে যায়।খবর পেয়ে আশে পাশের লোকজন জড় হয়ে শিশুটিকে উদ্ধার করে লাকসাম সরকারী হাসপাতালে নিয়ে আসে।।”।
কর্মরত চিকিৎসকরা প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে শিশুটিকে দ্রুত কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করে।শুক্রবার সন্ধায় আমাদের প্রতিনিধির সাথে আলাপকালে পিতার দায়িত্ব নেওয়া মেহেদী হোসেন জানান আমরা সকল প্রকার আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে এই কন্যা সন্তানের দায়িত্ব নিয়েছি, আমার একটি পুত্র সন্তান রয়েছে ৯ বছর বয়সের,আজ থেকে আমার একটি মেয়ে ও রয়েছে যার নাম আমরা রেখেছি আমার স্ত্রীর নামের সাথে মিলিয়ে জান্নাতুল মাওয়া।লাকসাম ভাটিয়াবিটি এলাকার বাসিন্দা মেহেদী হোসেন সান ফাওয়ার ইন্সুরেন্স কোম্পানীতে কর্মরত আছেন।।”।
এই বিষয়ে কথা হলো লাকসাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি আব্দুল্লাহ আল মাহফুজ এর সাথে তিনি বলেন এলাকাবাসীর মাধ্যমে খোঁজ পেয়ে আমরা শিশুটিকে ঝোপ থেকে উদ্ধার করে লাকসাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নিয়ে আসি,চিকিৎসক এর পরামর্শ অনুযায়ী শিশুটিকে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়।।”।
ভাটিয়াবিটি এলাকার মেহেদী হোসেন নামে এক ব্যক্তি এই কন্যা শিশুটির দায়িত্ব নিয়েছে বলে তথ্য টি নিশ্চিত করেন।।”।
অপরদিকে মমতার হাত বাড়িয়ে দেওয়া মমতাময়ী মা জুহুরা বেগম জানান বর্তমানে অনেকটাই বিপদমুক্ত আমাদের কন্যা জান্নাতুল মাওয়া,আমরা কোনদিন এই শিশুটিকে জন্ম পরিচয়হীন হিসেবে রাখবোনা আজ থেকে আমাদের পরিচয়ে শুরু হবে তার বেড়ে উঠা।আপনারা সাংবাদিক সাহেব রা একটু দোয়া করবেন আমার মেয়েকে যেন ভালোভাবে লালন পালন করতে পারি। একুশে মিডিয়া।”।




No comments:
Post a Comment