![]() |
একুশে মিডিয়া, ঝিনাইদহ প্রতিনিধি :>>>
ঝিনাইদহ
জেলা ট্রাক, ট্রাক্টর, কাভার্ডভ্যান ও ট্রাংক লরী শ্রমিক ইউনিয়নের
নির্বাচন নিয়ে ব্যাপক অনিয়ম কারচুপি ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। গত ১৪ আগস্ট
শ্রমিকদের এই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচনে ১৯ টি পদে ৫৯ জন প্রার্থী
প্রতিদন্দিতা করে। সকাল ৯ টা থেকে বিকাল ৪ পযুন্ত বিরাম হীন ভাবে ভোট
প্রদান করে স্রমিক গন।
ভোটের
পর রাত ১২ টার দিকে ভোটের ফলাফল ঘোষণা করে। ফলাফলে দেখা যায় যে সভাপতি
হিসাবে দাউদ হোসেন ১৬১০, সহ সভাপতি আনু মিয়া মন্টু মণ্ডল ১৫০৩,
আসাদুজ্জামান আশিক ১০৪৩ ও হাসু মিয়া ১০১৭, সাধারন সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম
সাগর ১৮১৯, যুগ্ন সম্পাদক লায়ন হাসান বিপুল শেখ ১২৪৮, সহ সাধারন সম্পাদক
মোস্তফা মিয়া ৯২১, আকরাম হোসেন ৮৯৬, সাংগঠনিক সম্পাদক পদে কাজী ওবায়দুল
মুন্না ১৩০২, কোষাধ্যক্ষ পদে জাহিদুল ইসলাম ১৪০৮, দপ্তর সম্পাদক পদে
সাজেদুল ইসলাম ১৬৯০, প্রচার সম্পাদক পদে রবিউল ইসলাম ১৩০২, শ্রম কল্যাণ
সম্পাদক পদে মেজবাহ ১৩৩১, ধর্ম ও সমাজ কল্যাণ সম্পাদক পদে নয়ন হোসেন মিন্টু
৯০০, কার্যকারী সদস্য পদে আনোয়ার হোসেন ৯৮১, মুক্তার হোসেন ৯৭০, তোতা মিয়া
৯৪৪, ময়েনউদ্দিন ময়না ৮৮৭, কামাল হোসেন ৮১২ ভোটে বিজয় ঘোষণা করা হয়।
ফলাফল
ঘোষণা পর এই নির্বাচন বিভিন্ন অভিযোগ তুলে নির্বাচনের ফলাফল বাতিল চেয়ে
নির্বাচন পরিচালনা কমিটির নিকট অভিযোগ করেছে জেলা ট্রাক, ট্রাক্টর,
কাভার্ডভ্যান ও ট্রাংক লরী শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি প্রার্থী মাছুদ রানা। সে
তার অভিযোগ পত্রে উল্লেখ করে যে মোট ব্যালট ৩৮০০ তার মধ্যে হতে ৩৩১৮ ভোট
পোল হয়েছে। তার মধ্যে দাউদ হোসেন পেয়েছে ১৬১০ এবং মাছুদ রানা ১৫৯০ ভোট,
বাতিল দেখান হয়েছে ৭৭ ভোট তাতে সর্বসাকুল্যে হয় ৩২৭৭ ভোট কিন্ত ৪১ টি ভোট
কথায় গেল তার কোন হদিস নেই। তাছাড়া নিয়ন বহির্ভূত ভাবে ৭৭ ভোট বাতিল করা
হয়েছে। সে বলে যে ৪১ টি ব্যালট গেল কোথায় সেই ভোট গুলি আমার ছিল। যাহা বাদ
দিয়ে গণনা করে মাত্র ২০ ভোটে প্রতিদন্দি প্রার্থীকে বিজয় ঘোষণা করা হয়েছে।
আরও অভিযোগ করে বলে যে ৩৮০০ ব্যালটের মধ্যে হয়ে ৩৩১৮ ব্যালট পোল দেখান হলেও
বাকি ৪৮২ টি ব্যালট পেপার ম্যাজিস্ট্রেট কিম্বা আইন শৃঙ্খলা বাহিনির হাতে
জমা না দিয়ে তারা নিয়ে যায়। যাহা নির্বাচনের আইন বহির্ভূত বলে সে উল্লেখ
করে।
তাছাড়া সাধারন সম্পাদক পদ প্রার্থী অলিয়ার
রহমান বলেন যে এইটি একটি সাজান নির্বাচন হয়েছে। তাহা না হলে নির্বাচন
পরিচালনা কমিটি ভোটের যে হিসাব দিয়াছে তাতে পরিপূর্ণ ব্যালট পেপারের হিসাব
নেই। তাই এই নির্বাচন বাতিল করে আমরা পুনঃ নির্বাচনের দাবী করছি।
এই
প্রসঙ্গে ঝিনাইদহ জেলা ট্রাক, ট্রাক্টর, কাভার্ডভ্যান ও ট্রাংক লরী শ্রমিক
ইউনিয়নের নব নির্বাচিত সভাপতি দাউদ হোসেনের সাথে মোবাইলে কথা বললে সে বলে
যে নির্বাচনে হেরে গিয়ে মাসুদ রানা অবান্ত্রর কথা বাত্রা বলছে। সে ভোট
গণনার স্থানে নিজে উপস্থিত থেকে বারবার গণনা শেষে ফলাফলের কাগজে স্বাক্ষর
করেছে। তাছাড়া আমাদের নিয়মে আছে যদি কার ফলাফল গ্রহণ যোগ্য না হয় তাহলে
তাকে ১ ঘণ্টার মধ্যে অভিযোগ করতে হবে। তাহা না করে ৩ দিন পর আজ সে অভিযোগ
করেছে। সে যে ৪১ ভোটের কথা বলেছে তাহা হয়তো, সে যে ভোট টাকা দিয়ে কিনেছিল
সেই ভোট তার শ্রমিকরা বিশ্বাস করানর জন্য দেখাতে গিয়েছিল যাহা পরে আর
ব্যালট বাক্সে ডুকাতে পারে নি।
একুশে মিডিয়া/এমএসএ




No comments:
Post a Comment