এইচ, এম শহীদুল ইসলাম, পেকুয়া (কক্সবাজার) প্রতিনিধি:
কক্সবাজারের পেকুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (৩ জুন) দুপুর ১২টায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সেমিনার কক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় স্বাগত বক্তব্য দেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মজিবুর রহমান। অনুষ্ঠানের শুরুতে নবনিযুক্ত স্বাস্থ্য সহকারীরা হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্যদের ফুলেল শুভেচ্ছা জানান।
পেকুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি ও স্থানীয় সংসদ সদস্য, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের সম্মতিক্রমে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য দেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও পেকুয়া পৌরসভার প্রশাসক রফিকুল ইসলাম।
তিনি বলেন, স্বাস্থ্য খাতে সরকারের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কার্যক্রমের ফলে জনগণ আগের তুলনায় অধিকতর স্বাস্থ্যসেবা পাচ্ছে। উপজেলা পর্যায়ে স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়নে সবাইকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।
আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. তামহিদুল ইসলামের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পেকুয়া উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এম. ইকবাল হোসেন, পেকুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার প্রতিনিধি কৃশানু কুমার দে, স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের প্রতিনিধি এরশাদুল ইসলাম, ডা. বেলাল হায়দার, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ড কাউন্সিলের প্রতিনিধি জসীম উদ্দিন আহমদ, উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. উম্মে কুলসুমা খানম, উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের প্রতিনিধি মো. আমজাদ হোসেন বাবু এবং উপজেলা এনজিও প্রতিনিধি জাহেদুল আলমসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।
সভায় বক্তারা বলেন, হাসপাতালের অবকাঠামোগত উন্নয়ন, সেবার মান বৃদ্ধি এবং রোগীবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করতে নিয়মিত ব্যবস্থাপনা কমিটির সভা আয়োজন করা হচ্ছে। দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা পূরণ করে পেকুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সিজারিয়ান অপারেশন সেবা চালু হয়েছে। ভবিষ্যতে এ সেবার পরিধি ও মান আরও উন্নত করা হবে।
এ সময় হাসপাতালের বিভিন্ন উন্নয়ন কার্যক্রম, সেবার পরিসংখ্যান ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা উপস্থাপন করা হয়। সভায় উপস্থিত অতিথিরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে ৩১ শয্যা থেকে ৫০ শয্যায় উন্নীত করায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মজিবুর রহমান বলেন, হাসপাতালে ভর্তি রোগীদের মানসম্মত খাবার নিশ্চিত করার বিষয়ে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। বর্তমানে ডেলিভারি ও অপারেশন সেবা চালু রয়েছে এবং ধীরে ধীরে এসব সেবার পরিধি আরও বাড়ানো হবে। তিনি হাসপাতালের জনবল সংকট, বিশেষ করে চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারীর ঘাটতির বিষয়টি উল্লেখ করে দ্রুত সমাধানের জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণের আশ্বাস দেন।




No comments:
Post a Comment