ভূমিকম্পের আগাম বার্তা দেবে সুষ্ময়দের মডেল-একুশে মিডিয়া - একুশে মিডিয়া একটি স্বাধীন, নিরপেক্ষ ও বস্তুনিষ্ঠ গণমাধ্যম হিসেবে সংবাদ পরিবেশনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা

ক্লিক করুন

Breaking News

Home Top Ad

নিউজের উপরে বিজ্ঞাপন

Friday, 7 September 2018

ভূমিকম্পের আগাম বার্তা দেবে সুষ্ময়দের মডেল-একুশে মিডিয়া


একুশে মিডিয়া, বিশেষ রিপোর্ট:
অন্যান্য প্রাকৃতিক দুর্যোগের ক্ষেত্রে পূর্বাভাস দেওয়া সম্ভব হলেও ভূমিকম্পের বেলায় তা সম্ভব হয় না। এ কারণে ভূমিকম্পকে আতঙ্ক হিসেবেই দেখেন সবাই।।”।

আজ পর্যন্ত ভূমিকম্পের পূর্বাভাস দেওয়ার যন্ত্র আবিষ্কার করতে পারেননি বিজ্ঞানীরা। ভূমিকম্পের পর সিসমোগ্রাফ কিংবা সিসমোমিটার কেবল কম্পনের মাত্রা পরিমাপ ও তার রেকর্ড রাখতে পারে। তবে চট্টগ্রামের দুই ক্ষুদে শিক্ষার্থীর দাবি, ভূমিকম্পের পূর্বাভাস দিতে সক্ষম এমন যন্ত্র তৈরি সম্ভব। একেবারে যন্ত্র তৈরি করতে না পারলেও তার মডেল বানিয়েছেন তারা।।”।
গতকাল বৃহস্পতিবার নগরীর সেন্ট প্লাসিডস স্কুল অ্যান্ড কলেজে ৫ম বিভাগীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মেলায় গিয়ে দেখা যায় তাদের এই মডেলের প্রদর্শন।।”।
সুষ্ময় মিত্র ও অনি রুদ্র নামে এই দুই কিশোর মেলায় এসেছে চট্টগ্রাম বিজ্ঞান পরিষদ কেন্দ্র সংসদের থেকে। দুইজনেই নগরের দুটি প্রথিতযশা কলেজের প্রথম বর্ষের ছাত্র। তাদের প্রস্তাবিত মডেলকে তারা সাজিয়েছে পৃথিবীর ভূমির নানা স্তরের ভিত্তিতে।।”।
একটি সাধারণ একুরিয়ামের উপরিতলকে ধরা হয়েছে পৃথিবীপৃষ্ঠ। একুরিয়ামের দেয়ালে তিনটি ভিন্ন রং দ্বারা পৃথক করা হয়েছে পৃথিবীর তিনটি স্তর। ভূমিস্তর, শিলাস্তর, আগ্নেয়াস্তর।।”।
ভূমিকম্প সৃষ্টির আগে এর ভূমির নিচে শক্তির উৎপাদন ঘটে। এ শক্তি কখনো বিভিন্ন শিলাপ্লেটের সংঘর্ষ, কখনো বা তৈরি হয় ভূগর্ভের অগ্ন্যুপাতের ফলে। শক্তি উৎপাদনের মডেল হিসেবে সুষ্ময়রা একুরিয়ামের মাঝখানে রেখেছে একটি মোবাইল ফোন। মডেল অনুসারে ফোনটিতে কল এলে এটির ভায়াব্রেশনে তৈরি হয় ভূগর্ভস’ কম্পন।।”।
এবং এই কম্পনই বলে দেবে ভূমির উপর কোন জায়গায় হবে ভূমকম্প। কম্পন মনিটর করার জন্য একুরিয়ামের উপরে রাখা হয়েছে একটি মাইক্রোফোন। মাইক্রোফোনটি মোবাইলটির কম্পনের সেন্সর হিসেবে কাজ করে। বিভিন্ন মাত্রার সাউন্ড বলে দেবে কোথায় এবং কোন স্কেলে ঘটতে যাচ্ছে ভূমিকম্প।।”।
সুষ্ময় ও অনির সাথে কথা বলে জানা গেছে, তাদের এই মডেলের অনুপ্রেরণা তাদের বিজ্ঞান পরিষদ কেন্দ্র সংসদের প্রফেসর জহুরলাল ভট্টাচার্য। তবে সম্পূর্ণ প্রজেক্ট তারা বানিয়েছেন নিজ উদ্যোগেই।।”।
তরুণ এই বিজ্ঞানীদের আবিষ্কারের কার্যকারিতা বা প্রয়োগ কতটুকু হবে তা হয়ত সময় বলে দেবে। কিন’ আবিষ্কারের এ নেশা অনুপ্রাণিত করবে আরো অসংখ্য বিজ্ঞান প্রেমীদের।।”।
প্রসঙ্গত, চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয় এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি উন্নয়ন ট্রাস্ট যৌথ আয়োজনে গতকাল থেকে শুরু হয় ‘৫ম বিভাগীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মেলা’। এতে অংশগ্রহণ করছে সুষ্ময় অনিদের মত অসংখ্য ক্ষুদে বিজ্ঞানীরা। আজ শুক্রবার সন্ধ্যা ৬ টায় এ মেলার আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি হবে। একুশে মিডিয়া।”।

No comments:

Post a Comment

নিউজের নীচে। বিজ্ঞাপনের জন্য খালী আছে

Pages