ধ্বংসের মুখে বাণিজ্যিককেন্দ্র চট্টগ্রামের বারইয়ারহাট-একুশে মিডিয়া - একুশে মিডিয়া একটি স্বাধীন, নিরপেক্ষ ও বস্তুনিষ্ঠ গণমাধ্যম হিসেবে সংবাদ পরিবেশনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা

ক্লিক করুন

Breaking News

Home Top Ad

নিউজের উপরে বিজ্ঞাপন

Friday, 7 September 2018

ধ্বংসের মুখে বাণিজ্যিককেন্দ্র চট্টগ্রামের বারইয়ারহাট-একুশে মিডিয়া


একুশে মিডিয়া, চট্টগ্রাম রিপোর্ট:

ধ্বংসের মুখে পড়েছে উত্তর চট্টগ্রামের বৃহত্তম বাণিজ্যিক কেন্দ্র বারইয়ারহাট। প্রতিদিন প্রায় ৫ হাজার ব্যবসায়ী অলস সময় পার করছে। অথচ আগে দৈনিক গড়ে লেনদেন হতো কয়েক কোটি টাকা। এখন তার অর্ধেকেও হচ্ছে না। গোল চত্বর অথবা আন্ডারপাস না থাকায় ক্রেতা বিক্রেতারা সড়ক পারাপারে দূর্ভোগে পড়েছে। একটি ফুটওভার ব্রিজ থাকলেও ভারি কোন সদায়পাতি নিয়ে মানুষ যাতায়াত করতে পারছে না।।”।

গুরুত্বপূর্ণ এই বাজারের অধিকাংশ ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের পূর্ব পাশে অবসি’ত। ফলে উত্তর চট্টগ্রামের বড় এই বাজারে গোল চত্বর অথবা আন্ডারপাস নির্মাণের দাবি উঠেছে। জানা গেছে, বারইয়ারহাট থেকে চট্টগ্রামের দূরত্ব ৭০ ও ফেনীর দূরত্ব প্রায় ১৫ কিলোমিটার। বারইয়ারহাট বাজারটি কয়েকটি অঞ্চলের সংযোগস’ল। ঢাকা-চট্টগ্রাম থেকে সরাসরি যোগাযোগ ছাড়াও ফেনী, নোয়াখালী, ছাগলনাইয়া, করেরহাট, রামগড়, খাগড়াছড়ি ও ফটিকছড়ির সাথে যোগাযোগের জন্য একমাত্র রাস্তা।।”।
রয়েছে গরুর বড় একটি বাজার। এই বাজারে রয়েছে কলেজ ও বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়সহ ৮টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, ২টি সরকারি স্বাস’্য কেন্দ্র, ৪টি বেসরকারি হাসপাতাল, প্রায় ১০টি ক্ষুদ্র ঋণের এনজিও সংস’া, ১টি রেলস্টেশন, ৪/৫টি মসজিদ।রয়েছে ছোট বড় প্রায় ৫০টি স্বর্ণের দোকান, ৬৯টি হার্ডওয়ার টাইলস স্যানেটারি দোকান, ৫৫টি ইলেকট্রিক ও ইলেকট্রনিকক্সের দোকান, ২৫টি ক্রোকারিজ দোকান, ১শ৫০টি ফল দোকান, ৫০টি ওষুধের দোকান, ২’শ টি মুদি দোকান, ৩’শ টি মাছ দোকান, ৫০টি জুতার দোকান, ৭০টি মোবাইল দোকান, কয়েক হাজার ভ্রাম্যমাণ দোকান, ২’শটি কাপড়ের দোকান, প্রায় ৫০টি ছোট বড় কুলিং কর্ণার, ১৫টি রেস্টুরেন্ট, ৫টি আবাসিক হোটেল, ৫০টি সেলুন, ১’শ টি ফার্নিচার দোকান, ৩০টি পান সুপারির দোকান, ৫০টি কসমেটিকস দোকান, ১০টি চালের আড়ৎ, ১০টি ফিড দোকান। এছাড়া রয়েছে এনসিসি ব্যাংক, অগ্রনী ব্যাংক, পূবালী ব্যাংক, উত্তরা ব্যাংক, ইসলামী ব্যাংক, সোস্যাল ইসলামী ব্যাংক, মার্কেন্টাইল ব্যাংক, সাউথ ইস্ট ব্যাংক, কৃষি ব্যাংকের শাখা।।”।
শুধু তাই নয় রয়েছে ৩টি বাস স্ট্যান্ড, ৪টি সিএনজি স্ট্যান্ড, ১টি পিক আপ স্ট্যান্ড, ১টি মাইক্রো-কার স্ট্যান্ড। প্রথম শ্রেণির পৌরসভার এই বাজারটি থেকে সরকার প্রতি বছর কোটি টাকা রাজস্ব পেয়ে থাকে। কিন’ গোলচত্বর অথবা আন্ডারপাস না থাকায় ৫ হাজার ব্যবসায়ী অনিশ্চিত ভবিষ্যতের দিকে তাকিয়ে রয়েছে। বারইয়ারহাট বাজারের ব্যবসায়ী মিজানূর রহমান ও ওমর ফারুক বাবলু জানান, বারইয়ারহাট বাজারে প্রায় ২’শ টি মুদি দোকান ও ৫০টি ফার্র্মেসি রয়েছে। কোন ক্রেতার পক্ষে ভারি বস্তা নিয়ে ওভারব্রিজ পার হওয়া সম্ভব নয়। রোগীরা ৮২টি সিড়ি পার হয়ে ফুটওভার ব্রিজ ব্যবহারে দুর্ভোগে পড়ছে। তাই গোল চত্বর অথবা আন্ডারপাস নির্মাণ করা প্রয়োজন।।”।

স্থানীয় ব্যবসায়ীরা জানায়, ২০১৫ সালের ৫ নভেম্বর চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক, সড়ক ও জনপথ বিভাগ, যোগাযোগ মন্ত্রণালয়সহ সরকারের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দপ্তরে লিখিত আবেদন করেছেন। কিন’ কোন কাজ হয়নি। এঅবস্থান লোকসানের মুখে পড়ে অনেক ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়ে যাচ্ছে।এনসিসি ব্যাংক বারইয়ারহাট শাখা ব্যবস্থাপক খোরশেদ আলম জানান, বারইয়ারহাট বাজারে ৯টি ব্যাংকের শাখা রয়েছে। অনেক বৃদ্ধ ও মহিলা গ্রাহক ফুট ওভারব্রিজ ব্যবহার করে সড়ক পারাপার হতে পারে না। একটি আন্ডারপাস অথবা গোলচত্বর জরুরি।।”।
বারইয়ারহাট গরু ছাগল বাজার ইজারাদার ও পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক রেজাউল করিম খোকন জানান, ডিভাইডার বন্ধ করে দেয়ায় ও আন্ডারপাস না থাকায় চলতি বছর কোরবানির ঈদে বারইয়ারহাট গরু বাজারে প্রায় ৫ লাখ টাকা ক্ষতি হয়েছে।বারইয়ারহাট পৌর মেয়র নিজাম উদ্দিন জানান, বারইয়ারহাট বাজারে গোল চত্বর অথবা আন্ডারপাস নির্মাণের বিষয়ে ইতিমধ্যে যোগাযোগ মন্ত্রণালয়কে অবহিত করা হয়েছে।।”।

বিষয়টি বিবেচনাধীন রয়েছে।এব্যাপারে বক্তব্য জানতে সড়ক ও জনপথ বিভাগ চট্টগ্রামের ব্যবস’াপক জুলফিকার আহম্মদের মোবাইলে যোগাযোগ করা হলে সংযোগ পাওয়া সম্ভব হয়নি। একুশে মিডিয়া।”।

No comments:

Post a Comment

নিউজের নীচে। বিজ্ঞাপনের জন্য খালী আছে

Pages